f

Personal Loan, Home Loan, Business Loan, Life Insurance

Breaking

Google search

Translate

Showing posts with label Islamic question. Show all posts
Showing posts with label Islamic question. Show all posts

Saturday, September 18, 2021

September 18, 2021

কি কি কারণে মানুষের দোয়া কবুল হয় না। কয়টি ভুলের জন্য মানুষের দাওয়া কবুল হয় না।দোয়া কবুলের সঠিক নিয়ম।

 হজরত ইব্রাহিম আদহাম (র:) কে প্রশ্ন করা হল, আমরা দোআ করি, কিন্তু আমাদের দোআ কবুল করা হয় না কেন.? তিনি বললেন, ১০টি কারণে তোমাদের দোআ কবুল হয় না।

_________________________________________

১/ তোমরা আল্লাহকে চেনো, কিন্তু তাকে মান্য করোনা

২/ তোমরা রসুল সম্পকে জান, কিন্তু তার সুন্নাতের অনুসরণ করোনা।

৩/ তোমরা কুরআন সম্পকে জান, কিন্তু সে অনুযায়ী আমল করোনা।

৪/ তোমরা আল্লাহর নেয়ামতসমূহ ভক্ষণ কর, কিন্তু তার শুকরিয়া আদায় করোনা।

৫/ তোমরা জান্নাত সম্পকে জান, কিন্তু তা অনুসন্ধান করোনা।

৬/ তোমরা জাহান্নাম সম্পকে জান, কিন্তু তার থেকে বাঁচার চেষ্টা করোনা।

৭/ তোমরা শয়তান সম্পকে জান, কিন্তু তার থেকে পলায়ন করোনা।

৮/ তোমরা মৃত্যু সম্পকে জান, কিন্তু তার জন্য প্রস্তুতি গ্রহন করোনা।

৯/ তোমরা মৃতকে দাফন কর, কিন্তু এর থেকে শিক্ষা গ্রহণ করোনা।

১০/ তোমরা নিজেদের দোষ চর্চা ভুলে গিয়েছে, কিন্তু মানুষের দোষ চর্চায় ব্যস্ত রয়েছে।

মহান আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সঠিকপথে চলার তৌফিক দান করুন(আমিন)

__________________________

তাফসিরে: কুরতুবি:-

______________________

♦ আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

_______________________________

♦আমাদের গ্রুপে দ্বীনি ইসলামিক বিষয়

♦প্রশ্নভিত্তিক পোষ্ট করা হয় আপনাদের

♦সবাই কে যোগদান করার জন্য

♦অনুরোধ রইল:-

▶ ‎ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। বিশ্বের এক মহোওম আদর্শের নাম ইসলাম।


সবাই শেয়ার করবেন

জাযাকাল্লাহু খাইরান প্রিয় 💜

Wednesday, September 8, 2021

September 08, 2021

কি কি মুসলিমদের জন্য হারাম।স্নাক ভিডিও অ্যাপ কি মুসলিমদের জন্য হারাম

 আসসালামু আলাইকুম— অনেক কষ্টের সাথে একটা কথা জানাচ্ছি— মুসলিম প্রিয় দ্বীনি ভাই এবং বোনদের জন্য।


যারা [ Snack Video ] এই অ্যাপটি ব্যবহার করতেছেন তারা কি জানেন? এই অ্যাপটি কি? এই অ্যাপটি হচ্ছে ইহুদি খ্রিস্টান নাসারা দের একটা চক্রান্ত! মুসলিম যুবক সমাজ যুবতী নারী ধ্বংস করার জন্য একটা মারাক্তক ফাঁদ। এই অ্যাপটি নাকি "রেফার" করলেই টাকা দিচ্ছে। আপনি জানেন? টাকা দিচ্ছে কেন? টাকা দিছে এইজন্য যাতে করে আপনি আপনার একটি মুসলিম ভাই এবং বোন কে জাহান্নামের দিকে অগ্রসার করাতে পারেন।


একটা উদাহরণ-


ধরেন আপনি আপনার পাঁচটি বন্ধুকে ঐ [ Snack Video ] একাউন্ট "রেফার" করে খুলে দিয়েছেন।

ওই পাঁচটির বন্ধুর ভিতরে যদি একটি মাত্র বন্ধু ও ওই অ্যাপটির কারণে "বেগানা নারীর ভিডিও - কিংবা অশ্লীল গান বাজনা - অশ্লীল ভিডিও দেখে থাকে। ওটা দেখে থাকার কারণে আল্লাহ তায়ালা তাকে জাহান্নামে দিতে ও পারেন। আপনি শুধুমাত্র কিছু টাকার জন্য আপনার একটি মুসলিম ভাই এবং বোন জাহান্নামের দিকে অগ্রসর করেছেন।


শুধু আপনার কয়টা টাকার জন্য। আপনি কি ভাবছেন ওই মুসলিম ভাই বোন যদি জাহান্নামে চলে যায়। আপনার ঐ মুসলিম ভাই এবং বোন ছাড় দিবেন। কখনোই নায়! যখন আল্লাহ তায়ালা তাদেরকে জাহান্নামে যেতে বলবে! তখন ওই মুসলিম ভাই এবং বোন আপনাকে দেখিয়ে দিবেন- কারণ আপনার জন্য তাকে জাহান্নামে যেতে হয়েছে— তখন আল্লাহ তালার কাছে ওই ভাই ওই বোন আরজি করবেন। এয়া আমার "আল্লাহ" যার জন্য আমি জাহান্নামে যাচ্ছি তাকেও আমার সঙ্গে জাহান্নামের দিন। কারণ আপনার জন্য তাকে জাহান্নামে যেতে হচ্ছে। তখন আপনি কি করবেন? আপনাকে ও তো তার সঙ্গে জাহান্নামে যেতে হবে।


একটা বার ভাবুন দ্বীনি ভাই দ্বীনি বোন শুধুমাত্র কিছু টাকার জন্য! আপনি আপনার বন্ধুদেরকে এই [ Snack Video ] একাউন্টে খুলে দিচ্ছেন- আর গুনার কাজ চালু করে দিচ্ছেন।


এসব একাউন্ট খুলেন না। প্রিয় মুসলিম দ্বীনি ভাই এবং বোন। আপনি তো মুসলিম। আপনি কেন গান-বাজনা শুনবেন! ওই সব আজেবাজে নোংড়া অ্যাপ দিয়ে ভিডিও তৈরি করবেন। এখনো সময় আছে তওবা করে নিন। আর যাদেরকে ঐ [ Snack Video ] একাউন্ট খুলে দিছে তাদের অ্যাকাউন্ট ডিলিট করে দিতে বলেন।


আর আল্লাহ তালার পথে ফিরে আসুন আল্লাহ তাআলা নিশ্চয়ই ক্ষমাশীল এবং পরম দয়ালু। তিনি আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন। ইনশাআল্লাহ। না হলে কিন্তু আপনি অনেক বিপদে পড়ে যাবেন। প্রিয় ভাই প্রিয় বোন। শুধু মাত্র এই [ Snack Video ] অ্যাপটির জন্য।


ইয়া রাব্বুল আলামিন সবাইকে সঠিক বোঝার তৌফিক দান করুন। আমিন সুম্মা আমিন।🤲❤️


আসা করি ভালো লাগলো! সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিলে আরো ভালো হয়। হতে পারে—এটা আপনার (তোমার) আমার নাজাতের একটা ওছিলা।💝


হতে পারে এই লেখাটা পড়ে আল্লাহ তা'আলা তাদেরকে হেদায়েত দিয়েছেন।🌸

Wednesday, September 1, 2021

September 01, 2021

ইস্তেগফার কিভাবে করতে হয়।ইস্তেগফার কি। ইস্তেগফার করার নিয়ম

 ইস্তেগফার কি?
ইস্তেগফার কিভাবে করতে হয়?




🔲ইস্তেগফার এর ফজিলত এবং ৫টি ইস্তেগফারের দোয়া ও সর্বশ্রেষ্ট ইস্তেগফার জেনে নেওয়ার চেষ্টা করি। 


🔲ইস্তেগফার শব্দের অর্থ ক্ষমা চাওয়া। আর তাওবা হলো আল্লাহর পথে ফিরে আসা। ২ টি শব্দের অর্থ প্রায় কাছাকাছি।

ইস্তেগফারের ফজিলত ও ইস্তেগফার সম্পর্কে 


💠আল্লাহর নির্দেশঃ

ইস্তিগফার সম্বন্ধে কোরআনে আছে, ‘তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো, নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল।’

 (সুরা-৭১ নূহ, আয়াত: ১০)


💠 ‘অতঃপর তোমার রবের প্রশংসাসহ পবিত্রতা বর্ণনা করো এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো।’

 (সুরা-১১০ নাসর, আয়াত: ৩)


💠‘আর আল্লাহ তাআলা আজাব দেবেন না তাদের, আপনি তাদের মাঝে থাকা অবস্থায়; আর আল্লাহ তাদের আজাব দেবেন না, যখন তারা ইস্তিগফার করে।’

 (সুরা-৮ আনফাল, আয়াত: ৩৩)


🔲তওবাঃ


তওবা অর্থ হলো ফিরে আসা। মানুষ যখন ভুল পথে যায় বা বিপথগামী হয়, তখন সেখান থেকে সঠিক পথে বা ভালো পথে ফিরে আসাকে তওবা বলা হয়। 

তওবার পারিভাষিক অর্থ হলো লজ্জিত হওয়া। অর্থাৎ স্বীয় কৃতকর্মে লজ্জিত হয়ে সঠিক পথে ফিরে আসা। তওবার জন্য করণীয় হলো, স্বীয় কৃতকর্মের প্রতি লজ্জিত ও অনুতপ্ত হওয়া, সেই অপরাধ আর না করার দৃঢ় প্রত্যয় ও সংকল্প গ্রহণ করা এবং নেক আমলের প্রতি বেশিমাত্রায় মনোযোগী হওয়া।


💠তওবা সম্পর্কে কোরআনে রয়েছে,

 ‘হে ইমানদারেরা, তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তওবা করো, আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপসমূহ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতসমূহে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে ঝরনাসমূহ প্রবহমান।’ 

(সুরা-৬৬ তাহরিম, আয়াত: ৮)


💠'নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা তওবাকারীদের ও পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসেন।’ 

(সুরা-২ বাকারা, আয়াত: ২২২)


💠রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘হে মানব সকল! তোমরা আল্লাহর দিকে ফিরে আসো, নিশ্চয় আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি।’ (মুসলিম)


🔲কিভাবে ইস্তেগফার করবেন?

ইস্তেগফার করার বা ক্ষমা চাওয়ার দোয়া সমূহ।

সব চেয়ে ছোট ইস্তেগফার হলো :


💠*দোয়া-১:*

 أَستَغْفِرُ اللهَ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হ।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

প্রতি ওয়াক্তের ফরয সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এই দোয়া ৩ বার পড়তেন। [মিশকাত-৯৬১]

এছাড়াও সারাক্ষণ টয়লেট বাথরুম ছাড়া এই ইস্তেগফার টি পড়ে জিহবা ভিজিয়ে রাখুন এর ফজিলত অনেক বেশি।


💠*দোয়া-২:*

মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণঃ আস্তাগফিরুল্লা-হা ওয়া আতূবু ইলাইহি।

অনুবাদঃ আমি আল্লাহর ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তাওবা ও ইসতিগফার করতেন। [বুখারী-৬৩০৭]


💠 *দোয়া-৩:*

মূল আরবীঃ أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّومُ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণঃ আস্‌তাগফিরুল্লা-হাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুওয়াল হাইয়্যুল কইয়্যূম ওয়া আতূবু ইলায়হি।


🔲অনুবাদঃ আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, তিনি ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই, তিনি চিরঞ্জীব, চিরস্থায়ী এবং তাঁর কাছে তাওবাহ্ করি।

এই দোয়া পড়লে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন-যদিও সে যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়নকারী হয়। [আবু দাউদ-১৫১৭, তিরমিযী-৩৫৭৭, মিশকাত-২৩৫৩]


💠*দোয়া-৪:*

মূল আরবীঃ رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ / الغَفُوْرُ


🔘উচ্চারণঃ রাব্বিগ্ ফিরলী, ওয়া তুব ‘আলাইয়্যা, ইন্নাকা আনতাত তাওয়া-বুর রাহীম। দ্বিতীয় বর্ণনয় “রাহীম”-এর বদলে: ‘গাফূর’।


🔘অনুবাদঃ হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার তাওবা কবুল করুন। নিশ্চয় আপনি মহান তাওবা কবুলকারী করুণাময়। দ্বিতীয় বর্ণনায়: তাওবা কবুলকারী ও ক্ষমাকারী।

রাসুলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে বসে এক বৈঠকেই এই দোয়া ১০০ বার পড়েছেন।

 

[আবূ দাঊদ-১৫১৬, ইবনু মাজাহ-৩৮১৪, তিরমিযী-৩৪৩৪, মিশকাত-২৩৫৩]


💠*দোয়া-৫: (সাইয়েদুল ইস্তিগফার-বা আল্লাহর নিকট ক্ষমা চাওয়ার শ্রেষ্ঠ দুআ:*

সায়্যিদুল ইস্তেগফার সব চেয়ে শ্রেষ্ট ইস্তেগফার। এবং এটি সকাল সন্ধ্যার জিকির।


🔘মূল আরবীঃ اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ


উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আনতা রব্বী লা-ইলাহা ইল্লা আনতা খালাক্কতানী ওয়া আনা আ'বদুকা ওয়া আনা আ'লা আহ্দিকা ওয়া ও’য়াদিকা মাসতাত’তু আ'উযুবিকা মিন শার্রি মা ছা’নাতু আবূউলাকা বিনি'মাতিকা আ'লাইয়্যা ওয়া আবূউলাকা বিযানবী ফাগ্ফির্লী ফাইন্নাহু লা-ইয়াগফিরুয্যুনূবা ইল্লা আনতা


অনুবাদঃ হে আল্লাহ তুমিই আমার প্রতিপালক। তুমি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তুমিই আমাকে সৃষ্টি করেছ। আমি তোমারই গোলাম। আমি যথাসাধ্য তোমার সঙ্গে প্রতিজ্ঞা ও অঙ্গীকারের উপর আছি। আমি আমার সব কৃতকর্মের কুফল থেকে তোমার কাছে পানাহ চাচ্ছি। তুমি আমার প্রতি তোমার যে নিয়ামত দিয়েছ তা স্বীকার করছি। আর আমার কৃত গুনাহের কথাও স্বীকার করছি। তুমি আমাকে মাফ করে দাও। কারন তুমি ছাড়া কেউ গুনাহ ক্ষমা করতে পারবে না।


এই দোয়া সকালে পড়ে রাতের আগে মারা গেলে অথবা রাতে পড়ে সকালের আগে মারা গেলে সে জান্নাতে যাবে। [বুখারী-৬৩০৬]


এই দোয়াগুলো পড়ার মাধ্যমে আমরা ইস্তেগফার করার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ! তবে সব চেয়ে উত্তম হলো সায়্যিদুল ইস্তেগফার।


মহান আল্লাহ্ আমাদের সবাইকে বেশি বেশি তওবা ও ইস্তেগফার করার তৌফিক দান করুন। 

জাজাকাল্লাহ খইরন।


"বিঃদ্রঃ- আরবি উচ্চারণ বাংলায় সঠিকভাবে উচ্চারিত হয় নাহ।


"তাই নিজে আরবি না জানলে উত্তমরূপে আরবি পড়তে জানে এমন একজন এর নিকট থেকে দোয়াগুলির উচ্চারণ শিখে নেওয়া আবশ্যক।


আল্লাহ আমাদের সবাইকে উপরোক্ত ইস্তেগফারের দোয়া এবং আমলগুলো সঠিক ভাবে বুঝা এবং সেই অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন, আমিন!!!

Sunday, October 27, 2019

October 27, 2019

হালাল পশুর যেসব অঙ্গ খাওয়া যাবে না ?

”ফয়যানে সুন্নত “” ১ম খন্ডের ৪০৫-৪০৮ পৃষ্টায় বর্ণিত
আছে।
আ’লা হযরত ইমাম আহমাদ রযা খাঁন(রাহমুতুল্ল
াহি) বলেন: হালাল পশুর সব অংশই হালাল, কিন্ত কিছু
কিছু অংশ আছে যা খাওয়া হারাম, নিষিদ্ধ অথবা
মাকরূহ।
যেমন=
(১) রগের রক্ত।
(২) পিত্ত।
(৩) মূত্রথলি।
(৪) পুংলিঙ্গ।
(৫) স্ত্রীলিঙ্গ।
(৬) অন্ডকোষ।
(৭) জোড়া, শরীরের গাঁট।
(৮) হারাম মজ্জা।
(৯)ঘাড়ের দো পাট্টা, যা কাঁধ পর্যন্ত টানা থাকে।
(১০)কলিজার রক্ত।
(১১)তিলির রক্ত।
(১২)মাংসের রক্ত, যা যবেহ করার পর মাংস থেকে বের
হয়।
(১৩)হৃদপিন্ডের রক্ত।
(১৪)পিত্ত অর্থাৎ ঐ হলদে পানি যা পিত্তেরর মধ্যে
থাকে।
(১৫)নাকের আর্দ্রতা (ভেড়া -ভেড়ীর মধ্যে অধিক হারে
থাকে।
(১৬)পায়খানার রাস্তা।
(১৭)পাকস্থলি।
(১৮)নাড়িভুঁড়ি।
(১৯)বীর্য।
(২০)ঐ বীর্য, যা রক্ত হয়ে গেছে।
(২১)ঐ বীর্য যা মাংসের টুকরো হয়ে গেছে।
(২২) ঐ বীর্য, যা পূর্ণ জনোয়ার হয়ে গেছে, এবং মৃত
অবস্তায় বের হয়েছে, অথবা জবেহ করা ছাড়া মারা
গেছে।
(ফতোওয়ায়ে রযবীয়া, ২০তম খন্ড, ২৪০-২৪১ পৃষ্টা)

Sunday, August 25, 2019

August 25, 2019

নারী-পুরুষের নির্জনবাস?


নারী-পুরুষের নির্জনবাস???

কোন নির্জন স্থানে একাকী বাস, কিছু ক্ষণের জন্যও লোক-চক্ষুর অন্তরালে, ঘরের ভিতরে, পর্দার আড়ালে একান্তে অবস্থান শরীয়তে হারাম। যেহেতু তা ব্যভিচার না হলেও ব্যভিচারের নিকটবর্তী করে, ব্যভিচারের ভূমিকা অবতারণায় সহায়িকা হয়। আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেন, ‘‘কোন পুরুষ যেন কোন নারীর সাথে একান্তে গোপনে অবস্থান না করে। কারণ, শয়তান উভয়ের কুটনী হয়।’’[2]
এ ব্যাপারে সমাজে অধিক শৈথিল্য পরিলক্ষিত হয় দেওর-ভাবী ও শালী-বুনাই-এর ক্ষেত্রে। অথচ এদের মাঝেই বিপর্যয় ঘটে অধিক। কারণ ‘পর চোরকে পার আছে, ঘর চোরকে পার নাই।’ তাই তো আল্লাহর নবী (সাঃ) মহিলাদের পক্ষে  তাদের দেওরকে মৃত্যুর সাথে তুলনা করেছেন।’’[3]
অতএব দেওরের সাথে মায়ের বাড়ি, ডাক্তারখানা, অনুরূপ বুনাই-এর সাথে বোনের বাড়ি, ডাক্তারখানা বা কোন বিলাস-বিহারে যাওয়া-আসা এক মারাত্মক বিস্ফোরক প্রথা বা ফ্যাশন।
তদনুরূপ তাদের সাথে কোন কামরা বা স্থানে নির্জনতা অবলম্বন, বাড়ির দাসী বা দাসের সাথে গৃহকর্তা বা কর্ত্রী অথবা তাদের ছেলে-মেয়ের সাথে নিভৃতবাস, বাগদত্ত বরকনের একান্তে আলাপ বা গমন, বন্ধু-বান্ধবীর একত্রে নির্জনবাস, লিফ্টে কোন বেগানা  যুবক-যুবতীর একান্তে উঠা-নামা, ডাক্তার ও নার্সের একান্তে চেম্বারে অবস্থান, টিউটর ও ছাত্রীর একান্তে নির্জনবাস ও পড়াশোনা,  স্বামীর অবর্তমানে কোন বেগানা আত্মীয় বা বন্ধুর সাথে নির্জনবাস, ট্যাক্সি  ড্রাইভারের সাথে বা রিক্সায় রিক্সাচালকের সাথে নির্জনে গমন, পীর ও মহিলা মুরীদের একান্তে বায়াত ও তা’লীম প্রভৃতি একই পর্যায়ের; যাদের মাঝে  শয়তান কুট্নী সেজে অবৈধ বাসনা ও কামনা জাগ্রত করে কোন পাপ সংঘটিত করতে চেষ্টা করে।[4]
বারুদের নিকট আগুন রাখা হলে বিস্ফোরণ তো হতেই পারে। যেহেতু মানুষের মন বড় মন্দপ্রবণ এবং দুর্নিবার কামনা ও বাসনা মানুষকে অন্ধ ও বধির করে তোলে। তা ছাড়া নারীর মাঝে রয়েছে মনোরম কমনীয়তা, মোহনীয়তা এবং চপলতা। আর শয়তান তো মানুষকে অসৎ কাজে ফাঁসিয়ে দিয়ে আনন্দবোধ করে থাকে।
অনুরূপ কোন বেগানা মহিলার সাথে নির্জনে নামায পড়াও বৈধ নয়।[5]
তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রীর নিকট নিজের সন্তান দেখতে গিয়ে বা কোন কাজে গিয়ে তার সাথে নির্জনতাও অনুরূপ। কারণ, সে আর স্ত্রী নেই। আর এমন মহিলার সাথে বিপদের আশঙ্কা বেশী। শয়তান তাদেরকে তাদের পূর্বের স্মৃতিচারণ করে ফাঁসিয়ে দিতে পারে।[6]
বৃদ্ধ-বৃদ্ধার আপোসে বা তাদের সাথে যুবতী-যুবকের নির্জনবাস, কোন হিজড়ে বা খাসি করা নারী-পুরুষের আপোষে বা তাদের সাথে যুবক-যুবতীর, একাধিক মহিলার সাথে কোন একটি যুবক অথবা একাধিক পুরুষের সাথে এক মহিলার, কোন সুশ্রী কিশোরের সাথে যুবকের নির্জনবাসও অবৈধ। প্রয়োজন হলে এবং মহিলার মাহরাম না পাওয়া গেলে কোন মহিলার জামাআতে একজন পুরুষ থেকে সফর আদি করায়  অনেকের নিকট অনুমতি রয়েছে।[7]
প্রকাশ যে, মহিলার সাথে কোন নাবালক শিশু থাকলে নির্জনতা কাটে না।
  ব্যভিচার থেকে সমাজকে দূরে রাখার জন্যই ইসলামে নারী-পুরুষে অবাধ মিলা-মিশা, একই অফিসে, মেসে, ক্লাশরুমে, বিয়ে ও মরা বাড়িতে, হাসপাতালে, বাজারে প্রভৃতি ক্ষেত্রে উভয় জাতির একত্রে জমায়েত অবৈধ।[8]
  মুসলিম নারীর শিক্ষার অর্থ এই নয় যে, তাকে বড় ডিগ্রী, সুউচ্চ পদ, মোটা টাকার চাকুরী পেতে হবে। তার শিক্ষা জাতিগঠনের জন্য, সমাজ গড়ার জন্য, মুসলিম দেশ ও পরিবেশ গড়ার জন্য যতটুকু দরকার ততটুকু শিখতে পারলেই যথেষ্ট; যদিও তা ঘরে বসেই হয়। তা ছাড়া পৃথক গার্ল্স স্কুল-কলেজ না থাকলে মিশ্র শিক্ষাঙ্গনে মুসলিম নারীর শিক্ষায় ‘জল খেতে গিয়ে ঘটি হারিয়ে যাওয়া’র ঘটনাই অধিক ঘটে থাকে; যে সব শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে শিক্ষিত হওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু আদর্শ মুসলিম হওয়া যায় না। নারীর সবনির্ভরশীল হয়ে জীবন-যাপন করায় গর্ব আছে ঠিকই, কিন্তু সুখ নেই। প্রকৃতির সাথে লড়ে আল্লাহর আইনকে অবজ্ঞা করে নানান বিপত্তি ও বাধাকে উল্লংঘন করে অর্থ কামিয়ে স্বাধীনতা আনা যায় ঠিকই; কিন্তু শান্তি আনা যায় না। শান্তি আছে  স্বামীর সোহাগে,  স্বামীর প্রেম, ভালোবাসা ও আনুগত্যে। পরিত্যক্তা বা নিপীড়িতা হলে এবং দেখার কেউ না থাকলে মুসলিম রাষ্ট্র ও সমাজে তার কালাতিপাত করার যথেষ্ট সহজ উপায় আছে। যেখানে নেই সেখানকার কথা বিরল। অবশ্য দ্বীন ও দুনিয়ার প্রকৃত মূল্যায়ন করতে পারলে এ সমস্যার সমাধান সহজ হয়ে উঠবে। যারা পরকালের চিরসুখে বিশ্বাসী তারা জাগতিক কয়েকদিনের সুখ-বিলাসের জন্য দ্বীন ও ইজ্জত বিলিয়ে দেবে কেন?[9]
ব্যভিচারের প্রতি নিকটবর্তী হওয়ার আর এক পদক্ষেপ মহিলাদের একাকিনী কোথাও বাইরে যাওয়া-আসা। তাই ‘সুন্দরী চলেছে একা পথে, সঙ্গী হইলে দোষ কি তাতে?’ বলে বহু লম্পট তাদের পাল্লায় পড়ে থাকে, ধর্ষণের হাত হতে অনেকেই রক্ষা পায় না, পারে না নিজেকে ‘রিমার্ক’ ও ‘টিস্’ এর শিলাবৃষ্টি হতে বাঁচাতে। এর জন্যই তো সমাজ-বিজ্ঞানী রসূল (সাঃ) বলেন,
وَلاَ تُسَافِرُ المَرْأةُ إِلاَّ مَعَ ذِي مَحْرَمٍ.
‘‘মহিলা যেন এগানা পুরুষ ছাড়া একাকিনী সফর না করে।’’ (বুখারী ৫২৩৩, মুসলিম ১৩৪১ন)
المَرأَةُ عَورَةٌ فَإِذَا خَرَجَتِ اسْتَشْرَفَهَا الشَّيطَان.
‘‘রমণী গুপ্ত জিনিস; সুতরাং যখন সে (বাড়ি হতে) বের হয়, তখন শয়তান তাকে পুরুষের দৃষ্টিতে রমণীয় করে দেখায়।’’[10]
ব্যভিচারের কাছে যাওয়ার আর এক পদক্ষেপ কোন এমন মহিলার নিকট কোন গম্য আত্মীয় বা অন্য পুরুষের গমন যার  স্বামী বর্তমানে বাড়িতে নেই, বিদেশে আছে। কারণ এমন স্ত্রীর মনে সাধারণতঃ যৌনক্ষুধা একটু তুঙ্গে থাকে, তাই বিপদ ঘটাই স্বাভাবিক। স্ত্রী বা ঐ পুরুষ যতই পরহেযগার হোক, তবুও না। এ বিষয়ে নীতি-বিজ্ঞানী (সাঃ) বলেন,
لَا تَلِجُوا عَلَى الْمُغِيبَاتِ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِي مِنْ أَحَدِكُمْ مَجْرَى الدَّمِ.
‘‘তোমরা সেই মহিলাদের নিকট গমন করো না যাদের  স্বামীরা বিদেশে আছে। কারণ, শয়তান তোমাদের রক্তশিরায় প্রবাহিত হয়।’’[11]
সাহাবী (রাঃ) বলেন, ‘‘আল্লাহর নবী (সাঃ) আমাদেরকে নিষেধ করেছেন যে, আমরা যেন মহিলাদের নিকট তাদের  স্বামীদের বিনা অনুমতিতে গমন না করি।’’[12]
অনুরূপ কোন প্রকার সেন্ট বা পারফিউমড্ ক্রিম অথবা পাওডার ব্যবহার করে বাইরে পুরুষদের সম্মুখে (পর্দার সাথে হলেও) যাওয়া ব্যভিচারের নিকটবর্তী হওয়ার এক ভূমিকা। যেহেতু যুবকের প্রবৃত্তি এই যে, মহিলার নিকট হতে সুগন্ধ পেলে তার যৌন-চেতনা উত্তেজনায় পরিণত হয়। যার জন্যই সংস্কারক নবী (সাঃ) বলেন,
كُلُّ عَيْنٍ زَانِيَةٌ وَالْمَرْأَةُ إِذَا اسْتَعْطَرَتْ فَمَرَّتْ بِالْمَجْلِسِ فَهِيَ كَذَا وَكَذَا يَعْنِي زَانِيَةً.
‘‘প্রত্যেক চক্ষুই ব্যভিচারী। আর রমণী যদি সুগন্ধি ব্যবহার করে কোন (পুরুষের) মজলিসের পাশ দিয়ে পার হয়ে যায় তাহলে সে এক বেশ্যা।’’[13]
এমন কি এই অবস্থায় নামাযের জন্য যেতেও নিষিদ্ধ।[14]
প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন,
أَيُّمَا امْرَأَة تَطَيَّبَت ثُمَّ خَرَجَت إِلَى المسجِدِ لَم تُقبَل لهَا صَلاَةٌ حَتى تَغتَسِل.
‘‘যে মহিলা সেন্ট্ ব্যবহার করে মসজিদে যায়, সেই মহিলার গোসল না করা পর্যন্ত কোন নামায কবুল হবে না।’’ (সহীহ আল-জা-মিউস সাগীর অযিয়াদাতুহ ২৭০৩নং)
কোন গম্য পুরুষের সাথে মহিলার প্রগল্ভতার সাথে কিংবা মোহনীয় কণ্ঠে সংলাপ ও কথোপকথন করাও ব্যভিচারের নিকটবর্তীকারী পথসমূহের অন্যতম ছিদ্রপথ। এ বিপজ্জনক বিষয়ে সাবধান করে আল্লাহ তা’আলা মহিলাদের উদ্দেশ্যে বলেন,
﴿إِنِ اتَّقَيْتُنَّ فَلا تَخْضَعْنَ بِالْقَوْلِ فَيَطْمَعَ الَّذِي فِي قَلْبِهِ مَرَضٌ﴾
‘‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পরপুরুষদের সাথে কোমল কণ্ঠে এমনভাবে কথা বলো না, যাতে ব্যাধিগ্রস্ত অন্তরের মানুষ প্রলুব্ধ হয়।’’[15]
এই জন্যই ইমাম ভুল করলে পুরুষ মুক্তাদীরা তসবীহ বলে স্মরণ করাবে, আর মহিলারা হাততালির শব্দে, তসবীহ বলেও নয়! যাতে নারীর কণ্ঠসবরে কতক পুরুষের মনে যৌনানুভূতি জাগ্রত না হয়ে উঠে। সুতরাং নারী-কণ্ঠের গান তথা অশ্লীল গান যে কি, তা রুচিশীল মানুষদের নিকট সহজে অনুমেয়।
  এমন বহু হতভাগী মহিলা আছে, যারা  স্বামীর সাথে কর্কশসবরে কথা বলে কিন্তু কোন উপহাসের পাত্রের (?) সাথে মোহন-সূরে সংলাপ ও উপহাস করে। এরা নিশ্চয়ই পরকালেও হতভাগী।
তদনুরূপ বেগানা নারীর সাথে মুসাফাহা বৈধ নয়। হাতে মোজা, দস্তানা বা কাপড়ের কভার রেখেও নয়। কামমনে হলে তা হাতের ব্যভিচার।[16] 
করতল চেপে ধরা এবং সুরসুরি দেওয়াও হল তার ইঙ্গিত! কোন গম্য নারীর দেহ স্পর্শ, বাসে-ট্রেনে, হাটে-বাজারে, স্কুলে-কলেজে প্রভৃতি ক্ষেত্রে গায়ে গা লাগিয়ে চলা বা বসা, নারী-পুরুষের ম্যাচ খেলা ও দেখা প্রভৃতি ইসলামে হারাম। কারণ, এ সবগুলিও অবৈধ যৌনাচারের সহায়ক। সমাজ সংস্কারক নবী (সাঃ) বলেন,
لأَنْ يُطْعَنَ فِي رَأْسِ رَجُلٍ بِمِخْيَطٍ مِنْ حَدِيدٍ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَمَسَّ امْرَأَةً لا تَحِلُّ لَهُ.
‘‘কোন ব্যক্তির মাথায় লৌহ সুচ দ্বারা খোঁচা যাওয়া ভালো, তবুও যে নারী তার জন্য অবৈধ তাকে স্পর্শ করা ভালো নয়।’’[17]
বাইরে বের হয়ে রমণীর রমণীয়, মোহনীয় ও সৌন্দর্য-গর্বজনক চপল মধুর চলনও ব্যভিচার ও যৌন উত্তেজনার সহায়ক কর্ম। এরা সেই নারী যাদের প্রসঙ্গে নবী (সাঃ) বলেছেন, ‘‘তারা পুরুষকে আকৃষ্ট করে এবং নিজেরাও আকৃষ্ট হয়; তারা জাহান্নামী।’’ [18]
অনুরূপ খট্খট্ শব্দবিশিষ্ট জুতো নিয়ে চট্পটে চলন, দেহের অলঙ্কার যেমন চুড়ি, খুঁটকাটি, নুপুর, তোরা প্রভৃতির বাজনা বাজিয়ে লাস্যময় চলনও যুবকের মনে যৌন-আন্দোলন আনে। সুতরাং এ কর্ম যে হারাম তা বলাই বাহুল্য। আল্লাহ তা’আলা বলেন,
﴿وَلاَ يَضْرِبْنَ بِأَرْجُلِهِنَّ لِيُعْلَمَ مَا يُخْفِينَ مِنْ زِينَتِهِنَّ﴾
‘‘তারা যেন তাদের গোপন আভরণ প্রকাশের উদ্দেশ্যে  সজোরে পদক্ষেপ না করে----।’’[19]
যেমন পথে চলার সময় পথের মাঝে চলা নারীর জন্য বৈধ নয়।[20]
মহিলাদের জন্য সবগৃহে গোসলখানা (বাথরুম) করা ওয়াজেব (সিমেন্টের হওয়া জরুরী নয়) এবং ফাঁকা পুকুরে, নদীতে, ঝর্ণায়, সমুদ্রতীরে বা সাধারণ গোসলখানায় গোসল করা তাদের জন্য হারাম। যেহেতু সমাজ-বিজ্ঞানী নবী (সাঃ) বলেছেন,
أَيُّمَا امْرَأَةٍ وَضَعَتْ ثِيَابَهَا فِي غَيْرِ بَيْتِهَا فَقَدْ هَتَكَتْ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ أَوْ سِتْرَ مَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ.
‘‘যে নারী সবগৃহ ( স্বামীগৃহ বা মায়ের বাড়ি) ছাড়া অন্য স্থানে নিজের পর্দা রাখে (কাপড় খোলে) আল্লাহ তার পর্দা ও লজ্জাশীলতাকে বিদীর্ণ করে দেন। (অথবা সে নিজে করে দেয়।)[21]
مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يُدْخِلْ حَلِيلَتَهُ الْحَمَّامَ.
‘‘যে ব্যক্তি আল্লাহতে ও পরকালে বিশ্বাস রাখে সে যেন তার স্ত্রীকে সাধারণ গোসলখানায় যেতে না দেয়।’’[22]
সবগৃহ ছেড়ে পরকীয় গৃহে বাস, বান্ধবী বা বান্ধবীর  স্বামীর বাড়িতে রাত্রিবাস ইত্যাদিও বিপজ্জনক ব্যভিচারের ছিদ্রপথ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যে মহিলা নিজের  স্বামীগৃহ ছাড়া অন্য গৃহে নিজের কাপড় খোলে সে আল্লাহ আয্যা অজাল্লা ও তার নিজের মাঝে পর্দা বিদীর্ণ করে ফেলে।’’[23]
একই কারণে অপরের লজ্জাস্থান (নাভি হতে হাঁটু পর্যন্ত স্থান) দেখা এবং একই কাপড়ে পুরুষে-পুরুষে বা মহিলায়-মহিলায় শয়ন করাও নিষিদ্ধ।[24]
পর পুরুষের দৃষ্টিতে মহিলার সর্বশরীর লজ্জাস্থান। বিশেষ করে চক্ষু এমন এক অঙ্গ যার দ্বারা বিপত্তির সূচনা হয়। চোখাচোখি থেকে শুরু হয়, কিন্তু শেষ হয় গলাগলিতে। এই ছোট্ট অঙ্গার টুকরা থেকেই সূত্রপাত হয় সর্বগ্রাসী বড় অগ্নিকান্ডের। দৃষ্টির কথাই কবি বলেন,
‘‘আঁখি ও তো আঁখি নহে, বাঁকা ছুরি গো
কে জানে সে কার মন করে চুরি গো!’’
প্রেম জগতে চক্ষু কথা ব’লে এমন বিষয় বুঝিয়ে থাকে যা জিহ্বা প্রকাশ করতে অক্ষম। চোখের কোণেই আছে যাদুর রেখা।
‘‘নয়না এখানে যাদু জানে সখা এক আঁখি ইশারায়
  লক্ষ যুগের মহা-তপস্যা কোথায় উবিয়া যায়!’’
‘নজরবান’ মেরে অনেকে অনেককে ঘায়েল করে থাকে। চোরা চাহনিতে অনেকেই বুঝিয়ে থাকে গোপন প্রণয়ের সূক্ষ্ম ইঙ্গিত।
‘‘--গোপন প্রিয়ার চকিত চাহনি; ছল করে দেখা অনুখন,
    --চপল মেয়ের ভালোবাসা তার কাঁকন চুড়ির কন্কন্।’’
সুতরাং এ দৃষ্টি বড় সাংঘাতিক বিপত্তি। যার জন্যই আল্লাহপাক বলেন,
﴿قُلْ لِلْمُؤْمِنِينَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوا فُرُوجَهُمْ ذَلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللهَ خَبِيرٌ بِمَا يَصْنَعُونَ- وَقُلْ لِلْمُؤْمِنَاتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوجَهُنَّ﴾
‘‘মুমিন পুরুষদেরকে বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে (নজর ঝুকিয়ে চলে) এবং তাদের যৌনাঙ্গকে সাবধানে সংযত রাখে; এটিই তাদের জন্য উত্তম। ওরা যা করে, আল্লাহ সে বিষয়ে অবহিত। আর মুমিন নারীদেরকে বল, তারাও যেন নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে ও লজ্জাস্থান সংরক্ষা করে---।’’[25]
প্রিয় নবী (সাঃ) বলেন, ‘‘(কোন রমণীর উপর তোমার দৃষ্টি পড়লে তার প্রতি) বারবার দৃক্পাত করো না। বরং নজর সত্বর ফিরিয়ে নিও।’’[26]
যেহেতু ‘‘চক্ষুও ব্যভিচার করে এবং তার ব্যভিচার হল (কাম)দৃষ্টি।’’[27]
সুতরাং এ দৃষ্টিকে ছবি থেকেও সংযত করতে হবে এবং পরপুরুষ থেকে আড়ালে রাখতে হবে। যাতে একহাতে তালি নিশ্চয়ই বাজবে না। আর এই বড় বিপদ সৃষ্টিকারী অঙ্গ চোখটি থাকে চেহারায়। চোখাচোখি যাতে না হয়, তাই তো নারীর জন্য জরুরী তার চেহারাকেও গোপন করা।
অত্যন্ত সখীত্বের খাতিরে হলেও বিনা পর্দায় সখীতে-সখীতে দৃঢ় আলিঙ্গন ও একে অপরকে নিজ নিজ সৌন্দর্য প্রদর্শন করা বৈধ নয়। কারণ এতে সাধারণতঃ প্রত্যেক সখী তার সখীর দেহ-সৌষ্ঠব নিজের  স্বামীর নিকট বর্ণনা করলে  স্বামী মনের পর্দায় তার স্ত্রীর ঐ সখীর বিলক্ষণ রূপ-দৃশ্য নিয়ে মনোতৃপ্তি লাভ করে থাকে।[28] হয়তো বা মনের অলক্ষ্যেই এই পুরুষ তার হৃদয়ের কোন কোণে ঐ মহিলার জন্য আসন পেতে দেয়। আর পরবর্তীতে তাকে দেখার ও কাছে পাওয়ার মত বাসনাও জাগ্রত করে তোলে।
নোংরা পত্র-পত্রিকা পাঠ, অশ্লীল ছায়াছবি ও থিয়েটার-যাত্রা দর্শনও একই পর্যায়ের; যাতে ধবংস হয় তরুণ-তরুণীর চরিত্র, নোংরা হয়ে উঠে পরিবেশ।
 স্বামী-স্ত্রীর মিলন-রহস্য প্রভৃতি জানার জন্য সঠিক সময় হল বিবাহের পর অথবা বিবাহের পাকা দিন হওয়ার পর। নচেৎ এর পূর্বে রতি বা কামশাস্ত্র পাঠ করে বিবাহে দেরী হলে মিলনতৃষ্ণা যে পর্যায়ে পৌঁছায় তাতে বিপত্তি যে কোন সময়ে ঘটতে পারে।
কারো রূপ, দ্বীনদারী প্রভৃতির প্রশংসা শুনে তাকে মনে মনে ভালোবেসে ফেলা দূষণীয় নয়। তাকে পেতে বৈধ উপায় প্রয়োগ করা এবং বিবাহ-বন্ধনে আবদ্ধ করে সুখের সংসার গড়া উত্তম। কিন্তু অবৈধভাবে তাকে দেখা, পাওয়া, তার কথা শোনা ও তার সান্নিধ্যলাভের চেষ্টা করা অবশ্যই সীমালংঘন। অবৈধ বন্ধুত্ব ও প্রণয়ে পড়ে টেলিফোনে সংলাপ ও সাক্ষাৎ প্রভৃতি ইসলামে হারাম।
যুবক-যুবতীর ঐ গুপ্ত ভালোবাসা তো কেবল কিছু দৈহিক সুখ লুটার জন্য। যার শুরুতেও চক্ষে অশ্রু ঝরে এবং শেষেও। তবে শুরুতে ঝরে আনন্দাশ্রু, আর শেষে উপেক্ষা ও লাঞ্ছনার। কারণ, ‘কপট প্রেম লুকোচুরি, মুখে মধু, হূদে ছুরি’ই অধিকাংশ হয়। এতে তরুণী বুঝতে পারে না যে, প্রেমিক তার নিকট থেকে যৌনতৃপ্তি লাভ ক’রে তাকে বিনষ্ট ক’রে চুইংগামের মত মিষ্টতা চুষে নিয়ে শেষে আঠাল পদার্থটিকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।
‘‘বন্ধু গো যেও ভুলে-
 প্রভাতে যে হবে বাসি, সন্ধ্যায় রেখো না সে ফুল তুলে।
 উপবনে ত্ব ফোটে যে গোলাপ প্রভাতেই তুমি জাগি,
 জানি, তার কাছে যাও শুধু তার গন্ধ-সুষমা লাগি।’’
সুতরাং এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া উচিৎ মুসলিম তরুণীকে এবং তার অভিভাবককেও। কারণ, ‘বালির বাঁধ, শঠের প্রীতি, এ দুয়ের একই রীতি।’

Thursday, August 1, 2019

August 01, 2019

কবর যিয়াতের সঠিক পদ্ধতি কি? Islamic life

আর কবর যিয়াতের শর‘ঈ পদ্ধতি হলো, মৃতব্যক্তিকে সালাম দিবে এবং তার জন্য দো‘আ করবে, যেরূপে জানাযার সালাতে করা হয়, আর অনুরূপই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবর যিয়ারত করার সময় তাঁর সাহাবীগণকে শিক্ষা দিয়েছেন। যেন তারা বলে,

«السلام عليكم دار قوم مؤمنين، وإنا إن شاء الله بكم لاحقون، يرحم الله المستقدمين منا والمستأخرين، نسأل الله لنا ولكم العافية، اللهم لا تحرمنا أجرهم، ولا تفتنّا بعدهم»

“মুমিন বাসিন্দাদের প্রতি সালাম, এটি মুমিনদের ঘর। নিশ্চয় ইনশাআল্লাহ আমরা তোমাদের সাথে একত্রিত হবো। আল্লাহ আমাদের ও তোমাদের অগ্রজ ও অনুজদের ক্ষমা করুন। আমরা আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য এবং তোমাদের জন্য নিরাপত্তা চাচ্ছি। হে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিদান থেকে বঞ্চিত করবেন না এবং তাদের পরে কোনো বিপর্যয় দিবেন না”।[1]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আরো বর্ণিত আছে, তিনি বলতেন,

«مَا مِنْ رَجُل يَمُرّ بِقَبْرِ أَخِيهِ كَانَ يَعْرِفهُ فِي الدُّنْيَا فَيُسَلِّم عَلَيْهِ إِلَّا رَدَّ اللَّه عَلَيْهِ رُوحه حَتَّى يُرَدّ عَلَيْهِ السَّلَام».

“যে কোনো ব্যক্তি পরিচিত কোনো বান্দার কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করে এবং সালাম দেয় তখন আল্লাহ তা‘আলা তার প্রতি উত্তর দেওয়ার জন্য কবরস্থ ব্যক্তির রূহ বা আত্মাকে তার কাছে ফেরত দেন।”[2]

আর মহান আল্লাহ মৃত মুমিন ব্যক্তির জন্য দো‘আকারী জীবিত ব্যক্তিকে সাওয়াব দেন, যেমনটি যখন সে জানাযার সালাত পড়লে সাওয়াবপ্রাপ্ত হয়। একারণেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এ কাজটি মুনাফিকের জন্য করতে বারণ করা হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন,

﴿وَلَا تُصَلِّ عَلَىٰٓ أَحَدٖ مِّنۡهُم مَّاتَ أَبَدٗا وَلَا تَقُمۡ عَلَىٰ قَبۡرِهِۦٓۖ  ٨٤﴾ [التوبة: ٨٤]

“আর তাদের মধ্যে কারো মৃত্যু হলে আপনি কখনো তার জন্য জানাযার সালাত পড়বেন না এবং তার কবরের পাশে দাঁড়াবেন না”। [সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত: ৮৪]

সুতরাং শরী‘আত সমর্থিত যিয়ারতে মৃত ব্যক্তির নিকট জীবিত ব্যক্তির কোনো প্রয়োজন, কোনো চাওয়া, কোনো ওসীলা প্রদান ইত্যাদি কিছুই নেই; বরং সেখানে জীবিত ব্যক্তির দ্বারা মৃত ব্যক্তির উপকৃত হওয়ার বিষয়টি রয়েছে, যা তার জন্য জানাযার সালাত আদায় করার মতোই। আর আল্লাহ তা‘আলা এ ব্যক্তির দো‘আ ও ইহসানের কারণে তার প্রতি রহম করেন এবং এ কাজের বিনিময়ে ব্যক্তিকে সওয়াব প্রদান করেন। যেমনটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে সহীহ হাদীসে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন,

«إذا مات الإنسانُ انقطع عملُه إلا من ثلاثةٍ إلا من صدقةٍ جاريةٍ أو علمٍ يُنْتَفَعُ به أو ولدٍ صالحٍ يدعو له»

“যখন কোনো ব্যক্তি মারা যায়, তখন তার তিনটি আমল ব্যতীত সব বন্ধ হয়ে যায়, সাদাকাহ জারিয়াহ, উপকারী ইলম অথবা নেক সন্তান যা তার জন্য দো‘আ করবে”।[3]




Thursday, July 25, 2019

July 25, 2019

দাড়ি কাটা ইমামের পিছনে নামায পড়া সম্পর্কে"

দাড়ি কাটা ইমামের পিছনে নামায পড়া সম্পর্কে"
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
☞ প্রশ্নঃ?
!
দাড়ি কাটে,দাড়ি ছাটে বা দাড়ি মুণ্ডন করে এমন ইমামের পিছনে নামায পড়ার বিধান কি? এরুপ ব্যক্তিকে ইমাম বানানো জায়েয হবে কি না? হাওয়ালাসহ জানালে কৃতজ্ঞ হবো!
'
'
☞ উত্তরঃ ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
এক মুষ্টি পরিমান দাড়ি রাখা ওয়াজিব৷ এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ি কাটা বা দাড়ি মুণ্ডন করা হারাম৷ আর যে ব্যক্তি এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ি কাটে বা মুণ্ডন করে সে ফাসেক৷ আর ফাসেকের ইমামতি মাকরুহে তাহরীমী৷ তার পিছনে নামায পড়াও মাকরুহে তাহরীমী৷ তাকে ইমাম বানানোও মাকরুহে তাহরীমী৷ উক্ত ইমামকে পরিবর্তন করে পরহেযগার ইমামের ব্যবস্থা করা ওয়াজিব৷ যদি তা সম্ভব না হয় এবং ফিতনার আশংকা না থাকে,তাহলে অন্যত্র পরহেযগার ইমামের পিছনে নামায পড়া ওয়াজিব৷ তবে একাকী নামায পড়ার চেয়ে তার পিছনে নামায পড়াই উত্তম৷
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ ﺑﺎﻟﺼﻮﺍﺏ
'
☞ হাওয়ালাঃ
বুখারী শরীফ ২/৮৭৫ পৃষ্ঠা৷
নাসায়ী শরীফ ১/৪ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে তাতারখানিয়া ১/৩৭৭ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে কাসেমীয়া ১/১৭১ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে মাদানিয়া ৩/১৩৬ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে ইউনুসিয়া ২/৬২১ পৃষ্ঠা৷
আদ-দুররুল মুখতার ২/৪১৮ পৃষ্ঠা৷
আল-বাহরুর রায়িক ১/৬১১ পৃষ্ঠা৷
আসা করি উত্তর টা পেয়েছেন

Wednesday, July 24, 2019

July 24, 2019

আল্লাহ সবার গুনাহ ক্ষমা করে দেই

আসসালামু আলাইকুম,আমাদের সমাজের তরুন-তরুনীরা কোন পাপ করে থাকলে তা তাদের বন্ধু-বান্ধবের মাঝে শেয়ার করতে খুবই পছন্দ করে। কৃত পাপকে সবার মাঝে প্রচার করাকে গর্বের কাজ বলে মনে করে।

অথচ ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কোন পাপ করে থাকলে তা গোপন রাখাই উচিৎ।

এই ভাবে পাপ গোপন রাখতে পারলে মহান আল্লাহ সেই পাপকেও গোপন রাখেন অথাৎ মাফ করে দিবেন।

নিচের হাদীসটি দেখুন
আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু হতে বর্ণীত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ ﷺ কে বলতে শুনেছি যে,

“আমার সমগ্র উম্মাতকে মাফ করা হবে, তবে যে নিজের গুনাহ প্রকাশ  করে তাকে ব্যতীত।

আর নিশ্চয় এ বড়ই অন্যায় যে, কোন লোক রাতে অপরাধ করলো যা আল্লাহ গোপন রাখলেন।

কিন্তু সে সকাল হলে বলে বেড়াতে লাগলো,

‘হে অমুক! আমি আজ রাতে এই কাজ করেছি।’

অথচ সে এমন অবস্থায় রাত কাটালো যে, আল্লাহ তার কর্ম (পাপ) লুকিয়ে রেখেছিলেন আর সে ভোরে উঠে তার উপর আল্লাহর দেয়া আবরণ খুলে ফেললো।”

[বোখারী হা/৬০৬৯, ৫৫৩০(ইফা),৫৬৩৪(আ.প্র); মুসলীম ৫৩/৮ হা/২৯৯০]

সুতরাং আমাদের কেউ কোন পাপ করে ফেললেও উপরোক্ত হাদীসের কথা মাথায় রেখে তা যথাসম্ভব গোপন রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আল্লাহ আমাদের সকলকে সকল প্রকার পাপথেকে মুক্ত থাকার তৌফিক দান করুন।

আমিন..

Saturday, July 20, 2019

July 20, 2019

ব্যাংকের সুদ নেওয়া কি হারাম। ব্যাংকের সুদ নেওয়া কি হালাল।

islamiclife700.blogspot.com

ইলাহী বিধান ঃ
﴿الَّذِينَ يَأْكُلُونَ الرِّبا لا يَقُومُونَ إِلَّا كَمَا يَقُومُ الَّذِي يَتَخَبَّطُهُ الشَّيْطَانُ مِنَ الْمَسِّ ذَلِكَ بِأَنَّهُمْ قَالُوا إِنَّمَا الْبَيْعُ مِثْلُ الرِّبا وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبا﴾
অর্থাৎ, যারা সুদ খায় তারা (কিয়ামতের দিন) সেই অবস্থায় উঠবে যে অবস্থা হয় একজন শয়তান (জিন) পাওয়া লোকের। তাদের উক্তরূপ হাশর হওয়ার কারণ এই যে, তারা বলে, ব্যবসা তো সুদের মতই! অথচ আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন এবং সুদকে করেছেন হারাম।[1]
﴿يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللهَ وَذَرُوا مَا بَقِيَ مِنَ الرِّبا إِنْ كُنْتُمْ مُؤْمِنِينَ (278) فَإِنْ لَمْ تَفْعَلُوا فَأْذَنُوا بِحَرْبٍ مِنَ اللهِ وَرَسُولِهِ وَإِنْ تُبْتُمْ فَلَكُمْ رُؤُوسُ أَمْوَالِكُمْ لا تَظْلِمُونَ وَلا تُظْلَمُونَ﴾
অর্থাৎ, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং (লোকদের নিকট) তোমাদের সুদের যা বকেয়া আছে তা ছেড়ে দাও যদি তোমরা ঈমানদার হও। আর যদি তোমরা এরূপ না কর (সুদ না ছাড়) তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের তরফ থেকে যুদ্ধ ঘোষণা কবুল করে নাও। কিন্তু যদি তোমরা তোওবা কর, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই। তোমরা কারো উপর অত্যাচার করবে না এবং নিজেরাও অত্যাচারিত হবে না।[2]
নববী বিধান
হযরত জাবের (রাঃ) হতে বর্ণিত, আল্লাহর রসূল (সাঃ) সুদখোর, সুদদাতা, সুদের লেখক এবং তার উপর সাক্ষীদ্বয়কে অভিশাপ করেছেন, আর বলেছেন, ‘‘ওরা সকলেই সমান।’’[3]

Saturday, June 29, 2019

June 29, 2019

টিকটক/মিউজিক্যালি কিভাবে মুসলিমের ইমান নষ্ট করছে

(টিকটক/মিউজিক্যালি): একটি দাজ্জালি ফিৎনা????
উত্তর:
মহানবী (সাঃ) বলেন শেষ জামানায় দাজ্জালের সবচেয়ে বেশি অনুসরনকারী হবে নারীরা। এমনকি তাদের বাপ-ভাইয়েরা তাদের দড়ি দিয়ে বেঁধেও দাজ্জালের অনুসরন করা থেকে বিরত রাখতে পারবে না।

দাজ্জাল এখনো আসেনি, তবে দাজ্জালের ফিৎনা কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। এই Tik tok নামক সোস্যাল এপসটিকে দাজ্জালের ফিৎনার সাথে তুলনা করলাম কারন এটি আমাদের মা-বোনদের কে ঘরের ভেতরে রেখেই সুকৌশলে নর্তকী বানিয়ে দিচ্ছে! আর আমাদের মা-বোনরা ও এই ফাঁদে পা দিয়ে নিজের অজান্তে দাজ্জালকে অনুসরন করে চলেছে, দাজ্জালের আগমনের পথকে সুগম করে দিচ্ছে। কারন এমন একটা পৃথিবীতে দাজ্জালের আগমন ঘটবে যখন চারিদিকে অশ্লীলতা মহামারী আকার ধারন করবে, মা-বোনেরা পর্দা থেকে বেরিয়ে আসবে।

প্রিয় বোন! আপনি কি জানেন আপনার আপলোডকৃত ভিডিওটি কতো পুরুষ লালায়িত দৃষ্টিতে দেখে? আপনি কি জানেন কতো পুরুষ আপনাকে চোখ দিয়ে ধর্ষন করে?

যারা সস্তা সেলিব্রিটি হওয়ার আশায় নেচে নেচে ভিডিও আপলোড করেন তাদের স্মরন করিয়ে দিতে চাই, আপনি মারা গেলেও কিন্তু ইন্টারনেটে আপনার ভিডিওটি থেকে যাবে। তখন যতোজন এই ভিডিও দেখবে কবরে আপনার আযাব ততোই বাড়তে থাকবে!

সুতরাং এখনই ভেবে দেখুন, যে কোনো মূহুর্তে মালাকুল মউত আপনার সামনে হাজির হয়ে যাবে। তখন কিন্তু খুব দেরী হয়ে যাবে।
C©
June 29, 2019

হোলি কি মুসলিমদের জন্য হারাম। মুসলিমদের কি হোলি উৎসব পালন করা যাবে

হোলি মুসলিমদের জন্য হারাম

রাসুল (সোঃ) বলেনঃ তোমরা অন্য ধর্মের উৎসবে উপস্থিত থেকো না, কারন সেখানে আল্লাহ্‌র গজব নাযিল হতে  থাকে ।

তিনি আরো বলেনঃ “যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের সাথে সামঞ্জস্য রাখল সে তাদের অন্তর্ভুক্ত”। [আবু দাউদঃ ৩৫১৪]

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ
“হে মুমিনগণ, তোমরা তাদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যারা তোমাদের দীনকে উপহাস ও খেল-তামাশারূপে গ্রহণ করেছে, তাদের মধ্য থেকে তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে ও কাফিরদেরকে। আর আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর, যদি তোমরা মুমিন হয়ে থাক”। [সূরা মায়েদাঃ১৫৭]

“হে মুমিনগণ, ইহুদি ও নাসারাদেরকে তোমরা বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। আর তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে নিশ্চয় তাদেরই একজন। নিশ্চয় আল্লাহ জালিম কওমকে হিদায়াত দেন না”। [সূরা মায়েদাঃ ৫১]

ইব্‌ন তাইমিয়াহ রাহিমাহুল্লাহ বলেনঃ “এ হাদিস প্রমাণ করে কাফেরদের উৎসব পালন করা হারাম। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের জাহিলি দুই ঈদের উপর বহাল রাখেননি। রীতি মোতাবেক তাতে খেলা-ধুলার অনুমতি দেননি। তিনি বলেছেনঃ নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদেরকে পরিবর্তন করে দিয়েছেন। এর দাবি পূর্বের আমল ত্যাগ করা। কারণ বদল করার পর উভয় বস্তুকে জমা করা যায় না। বদল শব্দের অর্থ একটি ত্যাগ করে অপরটি গ্রহণ করা। [ফায়দুল কাদিরঃ ৪/৫১১]

আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিচ্ছেনঃ “হে মুমিনগণ, তোমরা ইসলামে পূর্ণরূপে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় সে তোমাদের জন্য স্পষ্ট শত্রু”। [সূরা বাকারাঃ ২০৮]

অতএব কোন মুসলিমের জন্য বৈধ নয় ইহুদি, হিন্দু, খৃস্টান ও মুশরিকদের উৎসব পালন করা, যেমন নববর্ষ ও অন্যান্য উৎসবসমূহ।
একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের উচিত কুরআন ও সুন্নাহ অনুসরন করা।
June 29, 2019

যে রাতটি লাইলাতুল কদর হবে সেটি বুঝার কি কোন আলামত আছে?

যে রাতটি লাইলাতুল কদর হবে সেটি বুঝার কি কোন আলামত আছে?

হাঁ,সে রাতের কিছু আলামত হাদীসে বর্ণিত আছে।
সেগুলো হল:-

(১) রাতটি গভীর অন্ধকারে ছেয়ে যাবে না।

(২) নাতিশীতোষ্ণ হবে। অর্থাৎ গরম বা শীতের তীব্রতা থাকবে না।

(৩) মৃদুমন্দ বাতাস প্রবাহিত হতে থাকবে।

(৪) সে রাতে ইবাদত করে মানুষ অপেক্ষাকৃত অধিক তৃপ্তিবোধ করবে।

(৫) কোন ঈমানদার ব্যক্তিকে আল্লাহ স্বপ্নে হয়তো তা জানিয়েও দিতে পারেন।

(৬) ঐ রাতে বৃষ্টি বর্ষণ হতে পারে।

(৭) সকালে হালকা আলোকরশ্মিসহ সূর্যোদয় হবে। যা হবে পূর্ণিমার চাঁদের মত।
(সহীহ ইবনু খুযাইমাহ : ২১৯০ ;
বুখারী : ২০২১ ; মুসলিম : ৭৬২)।

 আপনি কি ১ রাতে ৮৩ বছর ৪ মাস ইবাদতের চেয়ে বেশী সওয়াব পেতে চান?

আল্লাহ তা’লা বলেন-
ﻟَﻴﻠَﺔُ ﺍﻟﻘَﺪﺭِ ﺧَﻴﺮٌ ﻣِﻦ ﺃَﻟﻒِ ﺷَﻬﺮٍ
শবে-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
(সূরা কদর-আয়াত ৩)

শবে কদরের দোয়া :

ﺍَﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌّ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍَﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﻲ
" আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী।"
অর্থাৎ, হে আল্লাহ্! নিশ্চয় তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা ভালবাস। সুতরাং তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
(আহমদ,তিরমীযি,ইবনু মাজাহ; মিশকাত :২০৯১)
(রিয়াযুস স্বা-লিহীন: তাওহীদ পাবলিকেশন্স: পৃষ্ঠা-৫৩৬ :হাদীস-১২০৩)।

 আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্নিত তিনি বলেন: আমি বলেছি, হে আল্লাহর রাসুল ﷺ , আপনি কি লক্ষ করেছেন আমি যদি লাইলাতুল ক্বদর জানতে পারি, আমি তখন কি বলবো
(কি দু’আ করবো)? তিনি বলেনঃ তুমি বলবে;
ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺇِﻧَّﻚَ ﻋَﻔُﻮٌّ ﻛَﺮِﻳﻢٌ ﺗُﺤِﺐُّ ﺍﻟْﻌَﻔْﻮَ ﻓَﺎﻋْﻒُ ﻋَﻨِّﺎ
উচ্চারণঃ
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা 'আফিউন কারিমুন তুহিব্বুল 'আফ ওয়া ফা'ফু আন্নি!
-হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমশীন, দয়াবান, ক্ষমা করতে তুমি ভালবাসো, এতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও।
[তিরমিযী হা/৩৫১৩; ইবনে মাজাহ হা/৩৮৫০;
মিশকাত হা/২০৯১]

আপনি যদি এটা বছরে গণনা করেন তবে এ রাতে ইবাদত করা মানে দাঁড়াচ্ছে ৮৩ বছর ৪ মাস ইবাদত করার চেয়েও শ্রেষ্ঠ। একজন মানুষ ৮৩ বছর ৪ মাস বেঁচে থাকবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই কিন্তু মাত্র রমজানের শেষের এই ১০ টি রাত জেগে ইবাদত করলে নিশ্চিত পেয়ে যাবেন ৮৩ বছর ৪ মাস ইবাদত করার সমান সওয়াব। আর যারা ১০ রাত জাগতে পারবেন না তারা অবশ্যই ২১, ২৩, ২৫, ২৭, ২৯ এই পাঁচটি রাত জেগে জেগে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করবেন কেননা এই ৫ রাতের যে কোন রাতই
কদরের রাত হতে পারে, আপনি যদি শুধু ২৭-এর রাত জেগে ইবাদত করেন তাহলে আপনি হয়তোবা হারিয়ে ফেলতে পারেন মহান রবের এই অসিম করুনার রাত।

এজন্য যারা ইতিকাফ করেন, এটা তাদের জন্য যে কতো বড় খুশীর ব্যাপার কেননা তারা নিশ্চিতভাবেই পেয়ে যাবে কদরের রাত এজন্যই তো মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) রমজানের শেষ ১০ দিন ইতিকাফ করতে ছাড়তেন না, আমাদেরও প্রত্যেকের উচিত, সম্ভব হলে ইতিকাফ করা,
নিজেদের কল্যাণের জন্য ১০ টা দিন কি আল্লাহ তা’লার পথে আমরা ব্যয় করতে পারি না? আর ইতিকাফ করা সম্ভব না হলেও অবশ্যই নিজের পরিবারের সবাইকে নিয়ে অন্তত বিজোড় রাতগুলো সাড়া রাত জেগে ইবাদত করবেন ইন- শা-আল্লাহ, আর কেনোইবা করবেন না,
দেখুন রাসুল (সাঃ) কি করেছেন শেষের এই ১০ রাতে-রাসুল (সাঃ) রমজানের শেষ ১০ রাতেই প্রায় সারারাত জেগে ইবাদত করেছেন এমনকি রাতগুলোতে রাসুল (সাঃ) ইবাদত করার জন্য লুঙ্গি শক্ত করে বেধে নিতেন এবং পরিবারের সকলকেও ইবাদতের জন্য জাগাতেন।
(বুখারি -২০২৪)।

রমজানের শেষ দশদিনে রাসূল সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোমর বেঁধে ইবাদতে আত্মনিয়োগ করতেন। নিজে জাগতেন এবং পরিবারের লোকজনকেও জাগিয়ে
তুলতেন।
(বুখারি : ২০২৪, মুসলিম : ১১৭৪)।

তাহলে কিভাবে রাতগুলো পালন করবো সেটা আমরা স্পষ্টই বুঝতে পারছি।
এই রাতগুলোতে আমরা বিশেষত :
১-বেশী বেশী সলাত আদায় করা,
২-কুরআন তিলায়ত করা,
৩- তাসবিহ তাহলিল;
যেমন সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ্,
আল্লাহু আকবার, লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা হাওলা ওয়া লা-কুওয়তা ইল্লা বিল্লাহ, সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি এগুলো বেশী বেশী পাঠ করা,
 ৪- বেশী বেশী আল্লাহ তা’লার কাছে ক্ষমা
ভিক্ষা চাওয়া এবং মনের বিভিন্ন আকুতি তুলে ধরা,
 ৫- আল্লাহ তা’লার কাছে অতীতের পাপের জন্য বারবার ক্ষমা চাওয়া,
৬- সম্ভব হলে কিছু দান করা সহ যতো ভালো কাজ আছে সবই বেশি বেশী করার চেষ্টা করে মহান রবের সন্তুষ্টি অর্জন করতেই হবে। সবাই
প্রস্তুতি গ্রহণ করুণ ইন-শা-আল্লাহ।
লাইলাতুল্ কদরের রাতে বেশী বেশী দুআ করুন। তন্মধ্যে সেই দুআটি বেশী বেশী পাঠ করা যা

নবী (সাঃ) মা আয়েশা (রাযিঃ)কে শিখিয়েছিলেন।
মা আয়েশা নবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করেনঃ
হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি লাইলাতুল কদর
লাভ করি, তাহলে কি দুআ করবো? তিনি (সাঃ) বলেনঃ বলবে, (আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন
তুহিব্বুল্ আফওয়া ফা’ফু আন্নী”।
[আহমদ,৬/১৮২]

অর্থ, হে আল্লাহ! তুমি ক্ষমাশীল।
ক্ষমা পছন্দ কর, তাই আমাকে ক্ষমা কর।
আসা করি সবাই উত্তর টা পেয়েছেন

Friday, June 28, 2019

June 28, 2019

🍀 *ঈদুল ফিতরের নামাযের পদ্ধতি*🍀???

*بسم الله الرحمن الرحيم*
ঈদুল ফিতরের নামাযের পদ্ধতি
 *নিয়ত :* আমি ঈদুল ফিতরের 2রাকাত ওয়াজিব নামায পড়ছি অতিরিক্ত ছয় তাকবীরের সহিত আল্লাহ্ র জন্য ইমামের পিছনে কা'বা শরীফের দিকে মুখ করে
*আল্লাহু আকবার*
 *বিঃদ্রঃ*নিয়ত মুখে উচ্চারণ করা যরূরী নয় অন্তরের মধ্যে কল্পনা করাকেই নিয়ত বলে।
✅ ইমাম সাহেব তাকবীর *(আল্লাহু আকবার)*বলে হাত বাঁধবেন এবং সানা *(সুব্হা-নাকা আল্ল-হুম্মা অবিহামদিকা)* পড়বেন সেই সময় আমাদের কেও তাকবীর বলে হাত বাঁধতে হবে এবং সানা পড়তে হবে। অতঃপর ৩টি ওয়াজিব তাকবীর অতিরিক্ত হবে।
♻ *প্রথম তাকবীর* বলে কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে হাত ছেড়ে দিতে হবে।
♻ *২য় তাকবীর* বলে কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
*৩য় তাকবীর* বলে কান পর্যন্ত হাত উঠিয়ে আর ছাড়তে হবে না। হাত বেঁধে নিতে হবে।
অতঃপর ইমাম সাহেব ক্বিরাত পড়বেন অর্থাৎ সূরা ফাতিহাহ্ এবং তার সাথে কোনো সূরা মিলিয়ে রুকু সাজদাহ্ করে একরাকাত সম্পূর্ণ করবেন।
অতঃপর ইমাম সাহেব ২য় রাকাতে সূরা ফাতিহাহ্ এবং অন্য একটা সূরা পড়বেন। অতঃপর রুকুতে যাওয়ার পূর্বে ৩টি ওয়াজিব তাকবীর অতিরিক্ত বলবেন এইভাবে।
♻ *প্রথম তাকবীর* বলে হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
♻ *২য় তাকবীর* বলে হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
♻ *৩য় তাকবীর* বলে হাত উঠিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।
এই পর্যন্ত অতিরিক্ত ছয়টি ওয়াজিব তাকবীর সম্পূর্ণ হল।
অতঃপর চতুর্থ বার হাত না উঠিয়ে তাকবীর বলে রুকুতে যেতে হবে বাকি নামায যেমন হয় ওই ভাবে সালাম ফিরে শেষ করতে হবে।
নামাযের পরেই খুৎবা শুরু হবে
খুৎবার সময় চুপকরে খুৎবা শুনতে হবে।
এখান পর্যন্ত ঈদের নামায সম্পূর্ণ হল ।

অনেক ভাইকে দেখা যায় যারা তাকবীরের সময় ভুল করে তাই লিখলাম যদি কারও উপকার হয়।
খুব শেয়ার করুন যদি আপনার দ্বারায় কোনো একজনের নামায ঠিক হয়ে যায় কত সওয়াবের কথা ।
আল্লাহ্ আমাদের তৌফীক দান করুন । আ-মীন*


June 28, 2019

Devils are bright harram???(dab sine )

এই নৃত্যভঙ্গিটি খুব জনপ্রিয়তা লাভ করেছে সারা বিশ্বেই। কিন্তু অনেকেই হয়তো জানেনা এই চিহ্নের মানেটা কি। এর পেছনে একটি অন্ধকার অতীত রয়েছে। এটিকে ড্যাব(DAB) সাইন বলা হয়। এর পূর্ণরূপ Devils are bright. যার অর্থ অনেকটা এররকম দাড়ায়-"শয়তানেরা চির উজ্জল"(নাউজুবিল্লাহ) এটা সাতানিসম বা শয়তানের পূজা কে প্রমোট করে। জঘন্যতম শিরকের একটি এটি। কারন এই চিহ্ন দ্বারা শয়তানকে সিজদাহ করা বোঝানো হয়। এটা আল্লাহ্‌-তায়ালাকে সিজদাহ করার বিপরীত। বর্তমানে তারকা খেলোয়াড়দের থেকে শুরু করে অনেকেই এই চিহ্নের অনুকরণ করছে। এটাকে ফান হিসেবে দেখছে। কিন্তু এই কালো ফান আপনার জাহান্নামে যাওয়ার কারন হতে পারে! এমনও হতে পারে এটি ইলুমিনাতি(Illuminati) বা শয়তানের পূজারিদের দ্বারা মুসলিমদের ক্ষতিগ্রস্ত করার জন্য ছড়ানো। অনেক স্বনামধন্য তারকাদেরই এই দলের অন্তর্গত বলে ধরা হয়। সৌদিআরবে এই সাইন শো করা আইনগত দন্ডনীয়। একটাই অনুরোধ,না জেনে বুঝে কিছু অনুকরণ করতে যাবেন না। শেষে ক্ষতিটা হয়তো আপনারই হবে।

নবী পাক(সাঃ) বলেন -"আমার একদল উম্মত হবে যারা ইহুদী ও খৃষ্টানদের বিঘতে বিঘতে অনুসরণ করবে।এমন কি তারা যদি গভীর গর্তে পর্যন্ত যায়,তারা সেখানে ও যাবে।(বুখারী)"
যারা উপদেশ গ্রহন করে তারাই বুদ্ধিমান।(আল-কোরআন)
যারা মানতে নারায তাদের জন্য আফসোস!

Wednesday, June 26, 2019

June 26, 2019

পাপ : নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করে???

❐ পাপ : নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করে।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
ইবনুল কাইয়্যিম [রাহিমাহুল্লাহ] বলেন,

''বান্দার জন্য অন্তর শক্ত হয়ে যাওয়া আর আল্লাহর সাথে সম্পর্কহীনতা চাইতে বড় শাস্তি আর হতে পারে না। এ জন্যই শক্ত অন্তরকে পুড়িয়ে ঝলসে দেওয়ার জন্যই জাহান্নামের আগুন সৃষ্টি করা হয়েছে। আল্লাহর সাথে সবচাইতে দূরত্বের,নড়বড়ে সম্পর্ক আল্লাহর সাথে সম্পর্কহীন হৃদয়ের সম্পর্ক।''
.
এক ব্যক্তি এক বার হাসান আল বসরি [রাহিমাহুল্লা]'র কাছে এসে জিজ্ঞেস করল,

"আপনি বলেছেন কেউ যদি অনবরত পাপ কাজ করে তাহলে আল্লাহ তাকে নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করেন! আমি এমন সব পাপ করি যেগুলো আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।
অথচ আমার কি নেই? সুন্দরী স্ত্রী, সুস্থ-সবল সন্তান- সন্তানাদি এবং প্রচুর অর্থ এবং জমিজামা এবং আমি একজন সুখী, সফল মানুষ!

এত পাপ করার পর ও আল্লাহ আমাকে কোন নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করেননি! তাহলে আপনি কীভাবে এটা বলতে পারেন, পাপ কর্ম দ্বারা আল্লাহ নিয়ামত ছিনিয়ে নেন?"
.
হাসান বসরি [রাহিমাহুল্লাহ] ওই লোককে জিজ্ঞেস করলেন-

"আপনি কি কিয়ামুল লাইল(তাহাজ্জুদ) আদায় করেন?
আপনি কি আল্লাহর কাছে দুয়া করে তৃপ্তি পান?
আপনি কি আপনার নামাজে শান্তি পান?"
লোকটি উত্তর দিল, "না।"

হাসান বসরী [রহ] বললেন, "তাহলে আপনার জন্য এটাই শাস্তি হিসেবে যথেষ্ট যে আপনাকে আল্লাহ এতগুলো নিয়ামত থেকে বঞ্চিত করছেন অথচ আপনি এটা অনুভবই করছেন না, এটাকে শাস্তিই মনে করছেন না।"

 ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
❐ সংগৃহীত।

▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂

❐ [ পেজে লাইক দিয়ে ও পোস্ট শেয়ার করে আপনিও দাওয়াতি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করুন।আমাদের কোনো কপিরাইট নেই। আপনি আমাদের পেজের কনটেন্টগুলো কপি করে ফেসবুক বা যেকোন মাধ্যমে দাওয়াতের উদ্দেশ্যে প্রচার করতে পারেন। বিনা অনুমতিতে। ]
.
• রাসূল [ﷺ] বলেছেন,
“যে ব্যক্তি মানুষকে হিদায়াতের দিকে ডাকে তার জন্য ঠিক ঐ পরিমাণ সাওয়াব রয়েছে, যে পরিমাণ পাবে তাকে অনুসরণকারীরা।” [সহীহ মুসলিম-২৬৭৪,৬৮০৪]
.
#bn_islamiclifestyle
[পরকালের পাথেয় কুড়াবার উদ্দেশ্যে.....]
ISLAMIC THOUGHT
মানুষের অন্তরে

Friday, June 21, 2019

June 21, 2019

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজীলত ও নিয়ম??

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজীলত ও নিয়ম
👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻
পবিত্র রমজানের পরবর্তী মাস এবং চন্দ্র মাসের দশম মাস হচ্ছে শাওয়াল। শাওয়াল মাসে অনেক আমল রয়েছে এসব আমলের ফজীলত-ও অনেক বেশী। নিম্নে শাওয়াল মাসের আমল ও ফজীলত সর্ম্পকে সংক্ষিপ্তভাবে আলোকপাত করার প্রয়াস করলাম ।
শাওয়াল শব্দের বিশ্লেষণ : শাওয়াল শব্দটি ‘শাওলুন’থেকে এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে বের হওয়া। যেহেতু এ মাসে আরববাসী আনন্দ-উল্লাসের জন্য ভ্রমণে বের হয় এজন্য শাওয়ালকে শাওয়াল বলা হয়। [গিয়াসুল্লুগাত-২৮৭]
শাওয়ালের আমল : শাওয়াল মাসের গুরত্বপূর্ণ একটি আমল হচ্ছে শাওয়ালের ‘ছয় রোজা’। রমজানের ফরজ রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখা মুস্তাহাব। আর এ রোজাকে শাওয়ালের ছয় রোজা বলে। এই রোজার অনেক ফজীলত রয়েছে যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত । রাসুল আকরাম সা: নিজে এ রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামগণকে ও রাখার জন্য নির্দেশ দিতেন ।
শাওয়ালের রোজার ফজীলত: এই রোজার ফজীলত সর্ম্পকে রাসুলুল্লাহ সা: হাদিসের মধ্যে ইরশাদ করেন,“যারা মাহে রমজানের ফরজ রোজা রাখবে,অতপর মাহে শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে তারা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব অর্জন করবে। [মুসলিম শরীফ :১ম.খন্ড ৩৬৯পৃ:]
এ রোজার ফজীলত সম্পর্কে রাসুল সা: আরো ইরশাদ করেন,“ যারা পবিত্র রমজানের রোজা রাখার পর শাওয়ালের আরো ছয়টি রোজা রাখবে তারা সেই ব্যক্তির মত হয়ে যাবে যে ব্যক্তি সদ্য তার মায়ের পেঠ থেকে দুনিয়াতে আগমণ করেছে। অর্থাৎ সে শিশু যেভাবে পুত-পবিত্র তথা নিষ্পাপ, তার কোন গোনাহ নেই, যারা শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে তারা ও সেই নিষ্পাপ শিশুর মত হয়ে যাবে ।  [তিরমিযী শরিফ]
হযরত উবাইদুল্লাহ রা: থেকে বর্ণিত.তিনি বলেন, একদিন রাসুল সা: কে জিজ্ঞাসা করলাম ,ইয়া রাসুলাল্লাহ আমি কি সারা বছর রোজা রাখতে পারব? তখন রাসুল সা: বললেন,“তোমার উপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে”,কাজেই তুমি সারা বছর রোজা না রেখে. রমজানের রোজা রাখ এবং রমজানের পরবর্তী মাস শাওয়ালের ছয় রোজা রাখ, তাহলেই তুমি সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে। [তিরমিযি শরিফ:১ম খন্ড.১৫৭পৃ:]
এই হাদিসে বলা হয়েছে যে, রমজানের রোজা রাখার পর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখলে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যাবে। এই সওয়াব এভাবে যে, মহান রাব্বুল আলামিন মানবতার মুক্তির সনদ মহা গ্রন্থ আল কুরআন কারীমের সুরায়ে আনআমের ১৬০ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, “যে লোক একটি নেক কর্ম আঞ্জাম দিবে সে লোক দশগুণ বেশী সওয়াব পাবে। সে হিসেবে রমজানের ত্রিশ রোজায় তিনশত রোজার সওয়াব হয়। আর মাহে শাওয়ালের ছয় রোজায় ষাট রোজার সওয়াব হয়। এভাবে রমজানের ৩০ রোজা এবং শাওয়ালের ৬ রোজা মোট ৩৬ রোজা দশ দিয়ে গুণ দিলে ৩৬০ রোজার সমান হয়ে যায়, আর ৩৬০ দিনে এক বছর। সুতরাং ৩৬ টি রোজায় সারা রছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়।
শাওয়ালের রোজা রাখার নিয়ম: শাওয়ালের ছয় রোজা শাওয়াল মাসেই শুরু করে শেষ করতে হবে। ধারাবাহিকভাবে ছয় দিনে ছয় রোজা রাখা যায় আবার মাঝে ফাক রেখে পৃথকভাবেও রাখা যায়। উল্লেখ্য যে, শাওয়ালের ছয় রোজার সওয়াব তারা পাবে যারা রমজানের রোজা সঠিকভাবে পালন করেছে। কারণ রমজানের রোজা হচ্ছে ফরজ আর শাওয়ালের রোযা হল মুস্তাহাব। মুস্তাহাবের সওয়াব তখনই পাওয়া যায় যখন ফরজ পালন করা হবে ।
আমাদের সমাজ আজ বিভিন্ন ধরণের গোমরাহিতে নিমজ্জিত। অনেক লোক এমন আছে যারা রমজানের ফরজ রোজা, ফরজ নামাজ, ইত্যাদি পালন করেনা কিন্তু নফল আমল নিয়ে বাড়াবাড়ি করে। গত রমজান মাসের দুপুর বেলায় আমাদের এলাকার এক ভ্রদ্র লোকের সাথে হঠাৎ আমার দেখা, দেখলাম এই লোকটি সিগারেট খাচ্ছে, জিজ্ঞাস করলাম ভাই রমজান মাসে আপনি একি করছেন? সে আমাকে বলল ভাই আমার গ্যাস্ট্রিক যার কারণে আমি রোজা রাখতে পারিনি । ঈদুল ফিতরের কয়েকদিন পর আবার সেই লোকটির সাথে হঠাৎ আমার দেখা, সে আমাকে বলল ভাই আপনি শাওয়ালের ছয় রোজা রাখছেন কী? আমি বললাম আপনি রাখছেন? সে বলল আরে মিয়া আমি না রেখে আপনাকে বলছিনাকি। আমি তাকে বললাম ভাই এখন কি আপনার গ্যাস্ট্রিক নেই? সে বলল ভাই শাওয়ালের রোজাতো মাত্র ৬ টি এবং তার ফজীলতও বেশী এসব কারণে রাখলাম ।
এটাও জেনে রাখা ভাল যে, শাওয়াল মাসে এ ৬ টি রোজা মাসের যেকোন দিন রাখা যায়। মাসের শুরুতে রাখা যায়, আবার মাসের মধ্যে বা মাসের শেষে যেকোন সময় তথা যেকোন দিন রোজা রাখা যায়। যার যার সুযোগ-সুবিধা মত এক সাথে ছয় রোজা, আবার আলাদা আলাদা করেও রাখা যায়। এমনকি শাওয়ালের ভিতরে ছয়টি রোজা রাখলেই হবে ।
শাওয়ালের ছয়টি রোজা নিয়ে আমাদের সমাজে ভ্রান্ত কিছু ধারণা ও কুসংস্কার দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করে এ ছয় রোজা শুধু মাত্র মহিলারা রাখবে, বুড়ো ও পুরুষ লোক রাখবেনা। আবার কেউ কেউ মনে করে এ রোজা একবার রাখলে প্রতি বছরই রাখতে হবে। এছাড়া ও আরো বেশ কিছু কুসংস্কার সমাজে দেখা দিয়েছে ।
বাস্তবতা হচ্ছে ইসলামী শরীয়তে এহেন কোন বিধান আরোপ করেনি। ঐসব কিছু হচ্ছে কুসংস্কার ও কুপ্রথা তথা ভ্রান্ত বিশ্বাস। শাওয়ালের রোজা পুরুষ, মহিলা, যুবক, বৃদ্ধসহ সকলেই রাখতে পারবে। আবার একবার রাখলে বারবার তথা প্রতি বছর রাখতে হবে এইরকম কোন বিধি-বিধান শরীয়তে নেই । ইচ্ছা হলে প্রতি বছর রাখতে পারবেন অথবা নাও রাখতে পারবেন, এটা যার যার ইচ্ছা। এটা মুস্তাহাব, ফরজ নয়। যেহেতু রাসুলের হাদিস দ্বারা এই ছয় রোজার অনেক ফজীলত পাওয়া গেল এবং রাসুল সা. নিজেও শাওয়ালের এ ছয় রোজা রাখতেন এবং উম্মতকে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, সেজন্য এ রোজা রাখা আমাদের জন্য উচিত। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে যেন শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা এখলাসের সাথে রাখার তাওফিক দান করেন। আমিন ।
June 21, 2019

✒ফেইসবুক ব্যবহার কখন হারাম????

✒ফেইসবুক ব্যবহার কখন হারাম!!

(১) ফেইজবুকের নেশা যখন আমার নামাযকে বিলম্বিত করিয়ে দেয়। ফেইজবুক তখন হারাম।

(২) যখন আমার ওয়ালে/পেইজে অনৈসলামিক কিছু থাকে, আল্লাহ নারাজ হন এমন কিছু থাকে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৩) যখন আমার প্রোফাইল পিকচারে একজন উলঙ্গ বা অর্ধোলঙ্গ নারীর ছবি থাকে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৪) যখন ফেইজবুক আমাকে আল্লাহর যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে রাখে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৫) যখন ফেইজবুকের পুরো সময়টাই অনর্থক চ্যাট, অনর্থক ঝগড়া-গালিতে ব্যয় হয়, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৬) ফেসবুক যখন বেগানা নারী বা পুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যম হয়, তখনো ফেইজবুক হারাম।

✒ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন
"সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তা সংরক্ষণ করে রাখার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী আছে।"
___________(ক্বাফ:১৮)

50:23

وَقَالَ قَرِينُهُۥ هٰذَا مَا لَدَىَّ عَتِيدٌ

আর তার সাথী (ফেরেশতা) বলবে, এই তো আমার কাছে (আমল নামা) প্রস্তুত।

50:29

مَا يُبَدَّلُ الْقَوْلُ لَدَىَّ وَمَآ أَنَا۠ بِظَلّٰمٍ لِّلْعَبِيدِ

‘আমার কাছে কথা রদবদল হয় না, আর আমি বান্দার প্রতি যুলমকারীও নই’।

ফেইজবুকে পার করা সময়টা যেনো নেকী হিসাবে হাশরের দিনে মিজানের পাল্লায় উঠানো যাই সেই চেষ্টায় হোক আমাদের সকলের কাম্য। আমীন।
June 21, 2019

ফেসবুকে ছবি আপলোড, কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ …?

ফেসবুকে ছবি আপলোড, কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ …?

আপনার জিজ্ঞাসার ১৯৬৪তম পর্বে ফেসবুকে ছবি আপলোড করলে গুনাহ হবে কি না, সে সম্পর্কে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইমেইলে জানতে চেয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা।

প্রশ্ন :
ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছবি আপলোড করলে কি গুনাহ হবে? ইসলাম এটাকে কি গুনাহ হিসাব করে? কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ?

উত্তর : একবারে অপ্রয়োজনীয় কাজে নিজেকে লিপ্ত করা জায়েজ নেই। ইমানদার ব্যক্তিরা যেকোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে নিজেরা বিরত থাকবেন।

আল্লাহ তায়ালা সুরা মুমিনুনের মধ্যে ইমানদার ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে এরশাদ করেন—ওয়াল্লাজিনাহুম আনিল্লাগবি মু’রিদুন (আর সেই সমস্ত লোকেরা, যারা বেহুদা কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখে)। ইমানদার ব্যক্তিরা মূলত বেহুদা কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখবে।

তবে, আপনি যদি মনে করেন যে, ফেসবুকে আপনার অনেক ডকুমেন্টারির বিষয় আছে, অথবা ডকুমেন্ট হিসেবে কোনো অনুষ্ঠানের ছবি যদি আপনি আপলোড করতে চান, সেটা ভিন্ন বিষয়। প্রয়োজনের তাগিদে সেটা কখনো কখনো জায়েজ হবে।

আবার অনেক সময় এ রকম ছবি দেওয়া হয়, যেটা মানুষের নৈতিক বা পবিত্র চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সেই ধরনের ছবি আপলোড করা যাবে না। দেখা যায়, অনেকে‌ তাদের পরিবারের ছবি দিয়ে দিচ্ছে, খারাপ ছবি দিচ্ছে বা এমন ছবি দিচ্ছে যেটা সবাইকে দেখানো উচিত নয়, এগুলো আপলোড করা হালাল হওয়ার কোনো সংগত দলিল নেই। বরং এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করা নাজায়েজ হবে, জায়েজ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Thursday, June 20, 2019

June 20, 2019

ইসলামের দৃষ্টিতে হস্তমৈথুন করা হারাম চলুন -জেনে নিই।

❐ হস্তমৈথুন: এক ভয়াবহ মরণফাঁদ।
▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂▂
.
সুখবর...!!! সুখবর...!!! সুখবর...!!!
.
পর্নাসক্ত ও হস্তমৈথুনকারী ভাইদের জন্য সুখবর...!!!
.
যারা পর্নভিডিও দেখেন বা নিয়মিত হস্তমৈথুন করে থাকেন তাদের জন্য ৩ টি আকর্ষনীয় পুরষ্কার!
.
• ১ম পুরষ্কার: Premature Ejaculation বা অকাল বীর্যপাত,বিবাহিত জীবনে স্ত্রীর কাছে গিয়ে বিশেষ মুহুর্তে ২ মিনিটে বীর্যপাত! প্রিয়তমার মুখ বেজার! লজ্জায় মাথা নিচু!
.
একদিন দুই তিনদিন...
.
এরপর স্ত্রীর সামনে মাথা তুলে দাঁড়ানোর দিন শেষ!
.
• ২য় পুরষ্কার: Erectile Dysfunctions বা উত্থান সংক্রান্ত সমস্যা বিশেষ মুহুর্তে বিশেষ অঙ্গ যতটা শক্ত হওয়া উচিৎ ছিল ততটা শক্ত হবেনা। মারাত্মক রকমের Erectile Dysfunction এর শিকার হবেন। ভায়াগ্রার আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন..ফলে অকালেই হারাবেন বাঁকি সক্ষমতাটুকুও! প্রিয়তমার মুখ বেজার! লজ্জায় মাথা নিচু!
.
একদিন দুই তিনদিন...
এরপর স্ত্রীর সামনে মাথা তুলে দাঁড়ানোর দিন শেষ!
.
• ৩য় পুরষ্কার: Low Libido বা যৌনকার্যে অনাগ্রহ
প্রিয়তমার ডাকে সাড়া দিতে পারবেন না। এক তরফা ডেকেই যাবে কিন্তু আপনার কোন ইচ্ছা জাগবেনা স্ত্রীর ভালোবাসার প্রতি। আকর্ষিত হবেন না। স্ত্রীর ম্যাসেজ seen হবে কিন্তু reply করতে পারবেন না। প্রিয়তমার মুখ বেজার! লজ্জায় মাথা নিচু!
.
একদিন দুই তিনদিন...
এরপর স্ত্রীর সামনে মাথা তুলে দাঁড়ানোর দিন শেষ!
.
• বিশেষ পুরষ্কার রয়েছে ২ টি !
  ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
• ১ম পুরষ্কার :
  ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
 Lower urinary tract symptoms(LUTS)
প্রসাব করার পরেও মনেহবে কিছু বাঁকি রয়েছে। বারবার ফোটায় ফোটায় প্রসাব পড়তে থাকবে। কাপড় নাপাক হবে, অপবিত্র হবেন। নামাজ নষ্ট হবে। মন খারাপ হবে।
.
• ২য় পুরষ্কার :
  ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
Peyronie's disease
বিশেষ অঙ্গের কোমল টিস্যু ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে নতুন চাঁদের মত একদিকে বেঁকে যাবে এবং একসময় যৌনকার্যে সম্পূর্ন অক্ষম হয়ে পড়বেন। এটার কোন চিকিৎসা নেই। বাহবা!
.
• এখানেই চমক শেষ নয়,রয়েছে এক গুচ্ছ স্বান্তনা পুরষ্কার।
  ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
[১] শারীরিক দুর্বলতা / Weakness।
[২] সর্বদা অবসাদ / Depression।
[৩] খাবারে অরূচি / Distaste।
[৪] দৃষ্টিশক্তির ক্ষতি / Optical Hallucination।
[৫] স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া / Delusion।
[৬] খিটখিটে মেজাজ / Irritability।
.
সো ভাইয়েরা যারা যারা পুরষ্কারে আগ্রহী তারা প্রতিযোগীতা করতে থাকুন। আর যারা এসব থেকে পানাহ চান তারা এগুলো থেকে দূরে থাকুন। প্রতিবার পর্ন দেখার আগে এই পুরষ্কারের তালিকাটা একবার হলেও দেখবেন।
সাবধান! অনেক রোগেরই চিকিৎসা নেই। চিকিৎসা একটাই, পরিত্যাগ...পরিত্যাগ...পরিত্যাগ!!!

 ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄ ̄
.
• রাসূল [ﷺ] বলেছেন,
“যে ব্যক্তি মানুষকে হিদায়াতের দিকে ডাকে তার জন্য ঠিক ঐ পরিমাণ সাওয়াব রয়েছে, যে পরিমাণ পাবে তাকে অনুসরণকারীরা।” [সহীহ মুসলিম-২৬৭৪,৬৮০৪]
.
islamiclife700.blogspot.com
[পরকালের পাথেয় কুড়াবার উদ্দেশ্যে.....]

islamiclife700.blogspot.com
June 20, 2019

বিয়ের আগে নারী-পুরুষের প্রেম কি জায়েয ?

বিয়ের আগে নারী-পুরুষের প্রেম সম্পর্কে ইসলাম কি বলে ?
যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর। দরুদ ও সালাম আল্লাহর রাসূল (সা) এর উপর। পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।

বিবাহ পূর্ব প্রেম হারাম। আল্লাহ বলেন -
• "তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর তাদেরকে স্ত্রী করার জন্যে, কামবাসনা চরিতার্থ করার জন্যে কিংবা গুপ্ত প্রেমে লিপ্ত হওয়ার জন্যে নয়।" (সূরা মায়িদা : ৫)
সুতরাং তারা স্বাধীনভাবে লালসা পূরণ কিংবা গোপনে লুকিয়ে প্রেমলীলা করবে না ।

পর্দার আয়াতে আল্লাহ বলেন -
• মুমিনদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গর হেফাযত করে। এতে তাদের জন্য খুব পবিত্রতা আছে। নিশ্চয় তারা যা করে আল্লাহ তা অবহিত আছেন। (সূরা নুর 30)
এখানে পুরুষদের চোখ নীচু রাখতে এবং লজ্জা স্থান হিফাজত করতে বলা হয়েছে।

• "ঈমানদার নারীদেরকে বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে এবং তাদের যৌন অঙ্গের হেফাযত করে। তারা যেন যা সাধারণতঃ প্রকাশমান, তা ছাড়া তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে এবং তারা যেন তাদের মাথার ওড়না বক্ষ দেশে ফেলে রাখে এবং তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে, তারা যেন তাদের গোপন সাজ-সজ্জা প্রকাশ করার জন্য জোরে পদচারণা না করে। মুমিনগণ, তোমরা সবাই আল্লাহর সামনে তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।" (সূরা নুর 31)
এখানে নারীদেরও একই কথা বলা হয়েছে, পর্দা করার কথা বলা হয়েছে আর নারীরা কাদের সাথে সাক্ষাত করতে পারবে তাদের একটা তালিকা দেওয়া হয়েছে

• হে নবী পত্নীগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও; যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, তবে পরপুরুষের সাথে কোমল ও আকর্ষনীয় ভঙ্গিতে কথা বলো না, ফলে সেই ব্যক্তি কুবাসনা করে, যার অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তোমরা সঙ্গত কথাবার্তা বলবে। (সূরা আহযাব 32)
• হে নবী! আপনি আপনার পত্নীগণকে ও কন্যাগণকে এবং মুমিনদের স্ত্রীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে নেয়। এতে তাদেরকে চেনা সহজ হবে। ফলে তাদেরকে উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু। (সূরা আহযাব 33:59)
এখানে পর্দাকরার নির্দেশ আরো পরিস্কার ভাষায় বলা হয়েছে। নবীপত্নীদের উল্লেখ করা হলেও তা সকল মুসলিম নারীর উপর প্রযোজ্য ।

যেখানে দৃষ্টি নীচু ও সংযত রাখা,কোমল ভাবে কথা না বলা, লজ্জা স্থান হিফাজত করার কথা এবং পর্দা করার কথা বলা হয়েছে আর সূরা মায়িদাতে গোপন প্রেমলীলাকে নিষেধ করা হয়েছে সেখানে বিবাহ পূর্ব প্রেম বৈধ হতে পারে কি করে? এটা হারাম।

ব্যভিচারের ব্যপারে আল্লাহ আরো বলেন ।
• আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ। (সূরা বনী ইসরাইল 32)
জিনার নিকট যাওয়াই নিষেধ অর্থাৎ যে সকল জিনিস জিনার নিকটবর্তী করে দেয় তার কাছে যাওয়াই নিষেধ। বিবাহ পূর্ব প্রেম নর-নারীকে জিনার নিকটবর্তী করে দেয় আর জিনা মারাত্মক একটি কবিরা গুণাহ।আল্লাহ বলেন -
• এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য উপাস্যের এবাদত করে না, আল্লাহ যার হত্যা অবৈধ করেছেন, সঙ্গত কারণ ব্যতীত তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যারা একাজ করে, তারা শাস্তির সম্মুখীন হবে। কেয়ামতের দিন তাদের শাস্তি দ্বিগুন হবে এবং তথায় লাঞ্ছিত অবস্থায় চিরকাল বসবাস করবে। (সূরা ফুরকান 68- 69)

বিবাহপূর্ব প্রেম অনেক সময় বান্দাহকে শিরকের নিকটবর্তী করে দেয়। কারণ অনেক সময় তারা একে অপরকে এতটাই ভালবাসা শুরু করে দেয় যে প্রকার ভালবাসা পাওয়ার দাবীদার একমাত্র আল্লাহ। আল্লাহ বলেন -
• আর কোন লোক এমনও রয়েছে যারা অন্যান্যকে আল্লাহর সমকক্ষ সাব্যস্ত করে এবং তাদের প্রতি তেমনি ভালবাসা পোষণ করে, যেমন আল্লাহর প্রতি ভালবাসা হয়ে থাকে। কিন্তু যারা আল্লাহর প্রতি ঈমানদার তাদের ভালবাসা ওদের তুলনায় বহুগুণ বেশী। আর কতইনা উত্তম হ’ত যদি এ জালেমরা পার্থিব কোন কোন আযাব প্রত্যক্ষ করেই উপলব্ধি করে নিত যে, যাবতীয় ক্ষমতা শুধুমাত্র আল্লাহরই জন্য এবং আল্লাহর আযাবই সবচেয়ে কঠিনতর। ( সূরা বাকারা 165)

ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে প্রেম তৈরি হবে তখনই যখন তারা দুজনই হিজাব ভঙ্গ করলে । কোন একজন যদি হিজাব কোনমতেই ভঙ্গ না করে তবে কোন মতেই প্রেম দাঁড়াবে না । যেসব ছেলে মেয়ের অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে তারা হিজাব কোনমতেই ভঙ্গ করে না । মনে মনে কাউকে ভাল লাগলেও তারা হিজাব ভঙ্গ করে পথচ্যুত হয় না । হিজাব মানে শুধু পোশাক নয় । পোষাক থকে আচার- আচরণ পর্যন্ত সব কিছুই এর অন্তর্ভূক্ত । তারা বিয়ের প্রস্তাব দেয় তা না হলে সবর করে ।

মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের মুসলিম ভাই ও বোনদের এই হারাম কাজ থেকে হিফাজত করুন। আমিন