f

Personal Loan, Home Loan, Business Loan, Life Insurance

Breaking

Google search

Translate

Showing posts with label question. Show all posts
Showing posts with label question. Show all posts

Wednesday, September 25, 2019

September 25, 2019

ইসলামিক বাংলা শিক্ষণীয় গল্পঃ

একদিন যুবকটা জীবিকার উদ্দেশ্যে, মক্কার গলি দিয়ে হাঁটছিলো। হঠাত চোখে পড়লো, একটা হার পড়ে আছে। আশেপাশে আর কেউ নেই দেখে, হারটা উঠিয়ে নিলো। মালিকের খোঁজে হেরেমে এলো। এমন সময় একটা ঘোষণা গোচরীভূত হলো:

-আমি একটা হার হারিয়েছি। কোনও দয়ালু ভাই পেয়ে থাকলে, আল্লাহর ওয়াস্তে ফিরিয়ে দেবেন।

যুবকটা বললেন: আমি এগিয়ে গেলাম। বললাম:
-আপনার হারটা কেমম, বর্ণনা দিন তো?
.
বর্ণনা মিলে গেলে, হারটা হস্তান্তর করলাম। আশ্চর্য হয়ে গেলাম, লোকটা হারখানা নিয়ে টু-শব্দও করলো না। সোজা গটগট করে হেঁটে চলে গেলো। সামান্য ধন্যবাদ টুকুও না।

আমি আল্লাহর কাছে বললাম:
-ইয়া আল্লাহ! আমি যদি এই সামান্য কাজটুকু আপনাকে সন্তুষ্ট করার জন্যই করে থাকি, আপনি আমার জন্য এর চেয়েও ভালো প্রতিদান জমা করে রাখুন।
আমীন।


এরপর আমি রুজি-রোজগারের উদ্দেশ্যে, জাহাজে চড়ে বসলাম। তাকদীরের এমনই লিখন, জাহাজ পড়লো ঝড়ের কবলে। পুরো জাহাজ ভেঙে লণ্ডভণ্ড হয় গেলো। হাতের কাছে যে যা পেলো ওটা ধরেই ভেসে রইলো।
.

আমিও ভাসতে ভাসতে একটা দ্বীপে গিয়ে উঠলাম। ওখানে দেখলাম একটা মসজিদ। মন খুশি হয়ে উঠলো। মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করলাম। আমার তো যাওয়ার আপাতত কোনও জায়গা নেই। ভবঘুরে।
মসজিদে একটা কুরআন শরীফ পেলাম। বসে বসে ওটাই তিলাওয়াত করতে শুরু করলাম।

আমাকে কুরআনখানা পড়তে দেখে সবাই আমাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরলো। অবাক হয়ে প্রশ্ন করলো:
-আপনি কুরআন পড়তে পারেন?
-জ্বী, পারি।
তারা বললো:
-আমাদের কাছে এই কুরআন কারীম অনেক দিন ধরে পড়ে আছে। আমরা এটা পড়তে পারি না।
আমরা এটাকে পরম যত্নে রেখে দিয়েছি। এক নাবিকের কাছ থেকেই আমরা এটা কিনেছিলাম।
.
আমাদের এই দ্বীপে, আগে একজন ছিলেন, তিনি এই কুরআন পড়তে পারতেন। ঠিকঠাক করা ছিলো, তিনিই সবাইকে কুরআন শিক্ষা দিবেন। এরপর তিনি হজ্জে গেলেন। আর ফিরে আসেন নি। এখন আপনি আমাদেরকে, আমাদের
সন্তানদেরকে কুরআন শিক্ষা দিন। আমি দ্বীপের বাচ্চাদেরকে কুরআন কারীম শিক্ষা দিতে লাগলাম। তাদেরকে অন্যান্য লেখাপড়াও শেখাতে থাকলাম।

কিছুদিন পর এলাকার মুরুব্বিরা বললেন:
-আমাদের এলাকায় একজন ইয়াতীম মেয়ে আছে। সর্বগুণে গুণান্বিতা। আপনি কি তাকে বিয়ে করতে রাজি হবেন?
.
-আমার কোনও আপত্তি নেই। আমাদের বিয়ে হয়ে গেলো। বাসর রাতে স্ত্রীর সাথে আমার প্রথম দেখা। আমি তাকে দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম। দেখলাম তার গলায় মক্কায় কুড়িয়ে পাওয়া সেই হার ঝুলছে। জানতে চাইলাম:
-এই হার তোমার কাছে কিভাবে এলো? নববধূ লাজুক মুখে উত্তর দিলো:
.
-আমার আব্বু সেবার হজে গেলেন। দুর্ভাগ্যক্রমে হারটা হারিয়ে গেলো। কিন্তু এক মহত ব্যক্তির বদান্যতায় হারটা ফিরে পেলেন। আব্বু সব সময় তার জন্য দু আ করতেন:আর বলতেন
“ইয়া আল্লাহ! আমার মেয়ের জন্য, মক্কার এই মহত ব্যক্তির মতো এমন একজন স্বামী মিলিয়ে দিন”

Thursday, July 25, 2019

July 25, 2019

দাড়ি কাটা ইমামের পিছনে নামায পড়া সম্পর্কে"

দাড়ি কাটা ইমামের পিছনে নামায পড়া সম্পর্কে"
•••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
☞ প্রশ্নঃ?
!
দাড়ি কাটে,দাড়ি ছাটে বা দাড়ি মুণ্ডন করে এমন ইমামের পিছনে নামায পড়ার বিধান কি? এরুপ ব্যক্তিকে ইমাম বানানো জায়েয হবে কি না? হাওয়ালাসহ জানালে কৃতজ্ঞ হবো!
'
'
☞ উত্তরঃ ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ
এক মুষ্টি পরিমান দাড়ি রাখা ওয়াজিব৷ এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ি কাটা বা দাড়ি মুণ্ডন করা হারাম৷ আর যে ব্যক্তি এক মুষ্টির ভিতরে দাড়ি কাটে বা মুণ্ডন করে সে ফাসেক৷ আর ফাসেকের ইমামতি মাকরুহে তাহরীমী৷ তার পিছনে নামায পড়াও মাকরুহে তাহরীমী৷ তাকে ইমাম বানানোও মাকরুহে তাহরীমী৷ উক্ত ইমামকে পরিবর্তন করে পরহেযগার ইমামের ব্যবস্থা করা ওয়াজিব৷ যদি তা সম্ভব না হয় এবং ফিতনার আশংকা না থাকে,তাহলে অন্যত্র পরহেযগার ইমামের পিছনে নামায পড়া ওয়াজিব৷ তবে একাকী নামায পড়ার চেয়ে তার পিছনে নামায পড়াই উত্তম৷
ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺍﻋﻠﻢ ﺑﺎﻟﺼﻮﺍﺏ
'
☞ হাওয়ালাঃ
বুখারী শরীফ ২/৮৭৫ পৃষ্ঠা৷
নাসায়ী শরীফ ১/৪ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে তাতারখানিয়া ১/৩৭৭ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে কাসেমীয়া ১/১৭১ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে মাদানিয়া ৩/১৩৬ পৃষ্ঠা৷
ফতোয়ায়ে ইউনুসিয়া ২/৬২১ পৃষ্ঠা৷
আদ-দুররুল মুখতার ২/৪১৮ পৃষ্ঠা৷
আল-বাহরুর রায়িক ১/৬১১ পৃষ্ঠা৷
আসা করি উত্তর টা পেয়েছেন

Friday, June 21, 2019

June 21, 2019

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজীলত ও নিয়ম??

শাওয়ালের ছয় রোজার ফজীলত ও নিয়ম
👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻👇🏻
পবিত্র রমজানের পরবর্তী মাস এবং চন্দ্র মাসের দশম মাস হচ্ছে শাওয়াল। শাওয়াল মাসে অনেক আমল রয়েছে এসব আমলের ফজীলত-ও অনেক বেশী। নিম্নে শাওয়াল মাসের আমল ও ফজীলত সর্ম্পকে সংক্ষিপ্তভাবে আলোকপাত করার প্রয়াস করলাম ।
শাওয়াল শব্দের বিশ্লেষণ : শাওয়াল শব্দটি ‘শাওলুন’থেকে এসেছে, যার অর্থ হচ্ছে বের হওয়া। যেহেতু এ মাসে আরববাসী আনন্দ-উল্লাসের জন্য ভ্রমণে বের হয় এজন্য শাওয়ালকে শাওয়াল বলা হয়। [গিয়াসুল্লুগাত-২৮৭]
শাওয়ালের আমল : শাওয়াল মাসের গুরত্বপূর্ণ একটি আমল হচ্ছে শাওয়ালের ‘ছয় রোজা’। রমজানের ফরজ রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা রাখা মুস্তাহাব। আর এ রোজাকে শাওয়ালের ছয় রোজা বলে। এই রোজার অনেক ফজীলত রয়েছে যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত । রাসুল আকরাম সা: নিজে এ রোজা রাখতেন এবং সাহাবায়ে কেরামগণকে ও রাখার জন্য নির্দেশ দিতেন ।
শাওয়ালের রোজার ফজীলত: এই রোজার ফজীলত সর্ম্পকে রাসুলুল্লাহ সা: হাদিসের মধ্যে ইরশাদ করেন,“যারা মাহে রমজানের ফরজ রোজা রাখবে,অতপর মাহে শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে তারা সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব অর্জন করবে। [মুসলিম শরীফ :১ম.খন্ড ৩৬৯পৃ:]
এ রোজার ফজীলত সম্পর্কে রাসুল সা: আরো ইরশাদ করেন,“ যারা পবিত্র রমজানের রোজা রাখার পর শাওয়ালের আরো ছয়টি রোজা রাখবে তারা সেই ব্যক্তির মত হয়ে যাবে যে ব্যক্তি সদ্য তার মায়ের পেঠ থেকে দুনিয়াতে আগমণ করেছে। অর্থাৎ সে শিশু যেভাবে পুত-পবিত্র তথা নিষ্পাপ, তার কোন গোনাহ নেই, যারা শাওয়ালের ছয় রোজা রাখবে তারা ও সেই নিষ্পাপ শিশুর মত হয়ে যাবে ।  [তিরমিযী শরিফ]
হযরত উবাইদুল্লাহ রা: থেকে বর্ণিত.তিনি বলেন, একদিন রাসুল সা: কে জিজ্ঞাসা করলাম ,ইয়া রাসুলাল্লাহ আমি কি সারা বছর রোজা রাখতে পারব? তখন রাসুল সা: বললেন,“তোমার উপর তোমার পরিবারের হক রয়েছে”,কাজেই তুমি সারা বছর রোজা না রেখে. রমজানের রোজা রাখ এবং রমজানের পরবর্তী মাস শাওয়ালের ছয় রোজা রাখ, তাহলেই তুমি সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাবে। [তিরমিযি শরিফ:১ম খন্ড.১৫৭পৃ:]
এই হাদিসে বলা হয়েছে যে, রমজানের রোজা রাখার পর শাওয়ালের ছয়টি রোজা রাখলে সারা বছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যাবে। এই সওয়াব এভাবে যে, মহান রাব্বুল আলামিন মানবতার মুক্তির সনদ মহা গ্রন্থ আল কুরআন কারীমের সুরায়ে আনআমের ১৬০ নম্বর আয়াতে ইরশাদ করেন, “যে লোক একটি নেক কর্ম আঞ্জাম দিবে সে লোক দশগুণ বেশী সওয়াব পাবে। সে হিসেবে রমজানের ত্রিশ রোজায় তিনশত রোজার সওয়াব হয়। আর মাহে শাওয়ালের ছয় রোজায় ষাট রোজার সওয়াব হয়। এভাবে রমজানের ৩০ রোজা এবং শাওয়ালের ৬ রোজা মোট ৩৬ রোজা দশ দিয়ে গুণ দিলে ৩৬০ রোজার সমান হয়ে যায়, আর ৩৬০ দিনে এক বছর। সুতরাং ৩৬ টি রোজায় সারা রছর রোজা রাখার সওয়াব পাওয়া যায়।
শাওয়ালের রোজা রাখার নিয়ম: শাওয়ালের ছয় রোজা শাওয়াল মাসেই শুরু করে শেষ করতে হবে। ধারাবাহিকভাবে ছয় দিনে ছয় রোজা রাখা যায় আবার মাঝে ফাক রেখে পৃথকভাবেও রাখা যায়। উল্লেখ্য যে, শাওয়ালের ছয় রোজার সওয়াব তারা পাবে যারা রমজানের রোজা সঠিকভাবে পালন করেছে। কারণ রমজানের রোজা হচ্ছে ফরজ আর শাওয়ালের রোযা হল মুস্তাহাব। মুস্তাহাবের সওয়াব তখনই পাওয়া যায় যখন ফরজ পালন করা হবে ।
আমাদের সমাজ আজ বিভিন্ন ধরণের গোমরাহিতে নিমজ্জিত। অনেক লোক এমন আছে যারা রমজানের ফরজ রোজা, ফরজ নামাজ, ইত্যাদি পালন করেনা কিন্তু নফল আমল নিয়ে বাড়াবাড়ি করে। গত রমজান মাসের দুপুর বেলায় আমাদের এলাকার এক ভ্রদ্র লোকের সাথে হঠাৎ আমার দেখা, দেখলাম এই লোকটি সিগারেট খাচ্ছে, জিজ্ঞাস করলাম ভাই রমজান মাসে আপনি একি করছেন? সে আমাকে বলল ভাই আমার গ্যাস্ট্রিক যার কারণে আমি রোজা রাখতে পারিনি । ঈদুল ফিতরের কয়েকদিন পর আবার সেই লোকটির সাথে হঠাৎ আমার দেখা, সে আমাকে বলল ভাই আপনি শাওয়ালের ছয় রোজা রাখছেন কী? আমি বললাম আপনি রাখছেন? সে বলল আরে মিয়া আমি না রেখে আপনাকে বলছিনাকি। আমি তাকে বললাম ভাই এখন কি আপনার গ্যাস্ট্রিক নেই? সে বলল ভাই শাওয়ালের রোজাতো মাত্র ৬ টি এবং তার ফজীলতও বেশী এসব কারণে রাখলাম ।
এটাও জেনে রাখা ভাল যে, শাওয়াল মাসে এ ৬ টি রোজা মাসের যেকোন দিন রাখা যায়। মাসের শুরুতে রাখা যায়, আবার মাসের মধ্যে বা মাসের শেষে যেকোন সময় তথা যেকোন দিন রোজা রাখা যায়। যার যার সুযোগ-সুবিধা মত এক সাথে ছয় রোজা, আবার আলাদা আলাদা করেও রাখা যায়। এমনকি শাওয়ালের ভিতরে ছয়টি রোজা রাখলেই হবে ।
শাওয়ালের ছয়টি রোজা নিয়ে আমাদের সমাজে ভ্রান্ত কিছু ধারণা ও কুসংস্কার দেখা দিয়েছে। অনেকে মনে করে এ ছয় রোজা শুধু মাত্র মহিলারা রাখবে, বুড়ো ও পুরুষ লোক রাখবেনা। আবার কেউ কেউ মনে করে এ রোজা একবার রাখলে প্রতি বছরই রাখতে হবে। এছাড়া ও আরো বেশ কিছু কুসংস্কার সমাজে দেখা দিয়েছে ।
বাস্তবতা হচ্ছে ইসলামী শরীয়তে এহেন কোন বিধান আরোপ করেনি। ঐসব কিছু হচ্ছে কুসংস্কার ও কুপ্রথা তথা ভ্রান্ত বিশ্বাস। শাওয়ালের রোজা পুরুষ, মহিলা, যুবক, বৃদ্ধসহ সকলেই রাখতে পারবে। আবার একবার রাখলে বারবার তথা প্রতি বছর রাখতে হবে এইরকম কোন বিধি-বিধান শরীয়তে নেই । ইচ্ছা হলে প্রতি বছর রাখতে পারবেন অথবা নাও রাখতে পারবেন, এটা যার যার ইচ্ছা। এটা মুস্তাহাব, ফরজ নয়। যেহেতু রাসুলের হাদিস দ্বারা এই ছয় রোজার অনেক ফজীলত পাওয়া গেল এবং রাসুল সা. নিজেও শাওয়ালের এ ছয় রোজা রাখতেন এবং উম্মতকে রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন, সেজন্য এ রোজা রাখা আমাদের জন্য উচিত। মহান রাব্বুল আলামিন আমাদের সকলকে যেন শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা এখলাসের সাথে রাখার তাওফিক দান করেন। আমিন ।
June 21, 2019

✒ফেইসবুক ব্যবহার কখন হারাম????

✒ফেইসবুক ব্যবহার কখন হারাম!!

(১) ফেইজবুকের নেশা যখন আমার নামাযকে বিলম্বিত করিয়ে দেয়। ফেইজবুক তখন হারাম।

(২) যখন আমার ওয়ালে/পেইজে অনৈসলামিক কিছু থাকে, আল্লাহ নারাজ হন এমন কিছু থাকে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৩) যখন আমার প্রোফাইল পিকচারে একজন উলঙ্গ বা অর্ধোলঙ্গ নারীর ছবি থাকে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৪) যখন ফেইজবুক আমাকে আল্লাহর যিকির ও কুরআন তিলাওয়াত থেকে দূরে সরিয়ে রাখে, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৫) যখন ফেইজবুকের পুরো সময়টাই অনর্থক চ্যাট, অনর্থক ঝগড়া-গালিতে ব্যয় হয়, তখনো ফেইজবুক হারাম।

(৬) ফেসবুক যখন বেগানা নারী বা পুরুষের সাথে অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যম হয়, তখনো ফেইজবুক হারাম।

✒ আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন
"সে যে কথাই উচ্চারণ করে, তা সংরক্ষণ করে রাখার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী আছে।"
___________(ক্বাফ:১৮)

50:23

وَقَالَ قَرِينُهُۥ هٰذَا مَا لَدَىَّ عَتِيدٌ

আর তার সাথী (ফেরেশতা) বলবে, এই তো আমার কাছে (আমল নামা) প্রস্তুত।

50:29

مَا يُبَدَّلُ الْقَوْلُ لَدَىَّ وَمَآ أَنَا۠ بِظَلّٰمٍ لِّلْعَبِيدِ

‘আমার কাছে কথা রদবদল হয় না, আর আমি বান্দার প্রতি যুলমকারীও নই’।

ফেইজবুকে পার করা সময়টা যেনো নেকী হিসাবে হাশরের দিনে মিজানের পাল্লায় উঠানো যাই সেই চেষ্টায় হোক আমাদের সকলের কাম্য। আমীন।
June 21, 2019

ফেসবুকে ছবি আপলোড, কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ …?

ফেসবুকে ছবি আপলোড, কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ …?

আপনার জিজ্ঞাসার ১৯৬৪তম পর্বে ফেসবুকে ছবি আপলোড করলে গুনাহ হবে কি না, সে সম্পর্কে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ইমেইলে জানতে চেয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন। অনুলিখনে ছিলেন জহুরা সুলতানা।

প্রশ্ন :
ফেসবুক বা অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে ছবি আপলোড করলে কি গুনাহ হবে? ইসলাম এটাকে কি গুনাহ হিসাব করে? কবিরা নাকি ছগিরা গুনাহ?

উত্তর : একবারে অপ্রয়োজনীয় কাজে নিজেকে লিপ্ত করা জায়েজ নেই। ইমানদার ব্যক্তিরা যেকোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় কাজ থেকে নিজেরা বিরত থাকবেন।

আল্লাহ তায়ালা সুরা মুমিনুনের মধ্যে ইমানদার ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্যের বিষয়ে এরশাদ করেন—ওয়াল্লাজিনাহুম আনিল্লাগবি মু’রিদুন (আর সেই সমস্ত লোকেরা, যারা বেহুদা কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখে)। ইমানদার ব্যক্তিরা মূলত বেহুদা কাজ থেকে নিজেদের বিরত রাখবে।

তবে, আপনি যদি মনে করেন যে, ফেসবুকে আপনার অনেক ডকুমেন্টারির বিষয় আছে, অথবা ডকুমেন্ট হিসেবে কোনো অনুষ্ঠানের ছবি যদি আপনি আপলোড করতে চান, সেটা ভিন্ন বিষয়। প্রয়োজনের তাগিদে সেটা কখনো কখনো জায়েজ হবে।

আবার অনেক সময় এ রকম ছবি দেওয়া হয়, যেটা মানুষের নৈতিক বা পবিত্র চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক, সেই ধরনের ছবি আপলোড করা যাবে না। দেখা যায়, অনেকে‌ তাদের পরিবারের ছবি দিয়ে দিচ্ছে, খারাপ ছবি দিচ্ছে বা এমন ছবি দিচ্ছে যেটা সবাইকে দেখানো উচিত নয়, এগুলো আপলোড করা হালাল হওয়ার কোনো সংগত দলিল নেই। বরং এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় ছবি আপলোড করা নাজায়েজ হবে, জায়েজ হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

Wednesday, June 19, 2019

June 19, 2019

Islamic question

*সালামের সঠিক উচ্চারন কি হবে?*
~~~~~♥
আমরা প্রতিদিন অনেককেই এভাবে সালাম দিতে শুনি যে, স্লামালাইকুম, সালামালাইকুম, আস্লামালাইকুম , সেলামালাইকুম,
আস্লামো আলাই, আসসামালাইকুম ইত্যাদি।

*আবার উত্তর দেয়ার সময়ও শোনা যায় ভুল শব্দের ব্যবহার। যেমন, অলাইকুম সালাম; অলাইকুম আস-সালাম ইত্যাদি।

*সালামের সঠিক উচ্চারণ হলো,*

 السَّلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ

*আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতুহ্।*

وَعَلَيْكُمُ السَّلَامُ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ

*‘ওয়া আলাইকুমুস-সালাম, ওয়া রহমাতুল্লাহি, ওয়া বার-কাতুহ্।*
(আরবী উচ্চারণ একটু কঠিন তাই জানা কারো কাছ থেকে শিখে নিলে ভালো হয়)

আমরা অনেক সময়ই সালামের পূর্ণ জবাব দিতে কার্পণ্য করে থাকি। পুরো উত্তর বলি না, অথবা ভুল উত্তর দেই। অথচ আল্লাহ তাআলা কুরআনেই শিখিয়েছেন; কেউ সালাম দিলে তার চেয়ে উত্তম শব্দে উত্তর দিতে।

*আর যখন তোমাদেরকে সালাম দেয়া হবে তখন তোমরা তার চেয়ে উত্তম সালাম দেবে। অথবা জবাবে তাই দেবে। নিশ্চয় আল্লাহ সব বিষয়ে পূর্ণ হিসাবকারী।* -(আন-নিসা; ৪:৮৬)

সহীহ হাদীছে এসেছে,

ইমরান ইবনু হুসাইন (রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, *একদিন একব্যক্তি নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কাছে এসে বলে, আসসলামু আলাইকুম। নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সালামের জবাব দিলে সে ব্যক্তি বসে পড়ে। তখন নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সে দশটি নেকী পেয়েছে। এর পর একব্যক্তি এসে বলে, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। তিনি তার সালামের জবাব দিলে, সে ব্যক্তি বসে পড়ে। তখন নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সে বিশটি নেকী পেয়েছে। এপর এক ব্যক্তি এসে বলে আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাক‘আতুহু। নাবী (সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার সালামের জবাব দিলে সে বসে পড়ে। তখন তিনি বলেন, সে ত্রিশটি নেকী পেয়েছে*।
-(আবূ দাঊদ-৫১৯৫, আলবানী বলেন, হাদীছটি সহীহ; আল-আরনাঊত বলেন, হাসান)

*আল্লাহ্ আমাদের সকলকে সঠিকভাবে সালাম উচ্চারণের তাওফীক দান করুক। আমীন।*